
জাকিয়া বেগম বিশেষ প্রতিনিধি
ময়মনসিংহ জেলার ত্রিশাল উপজেলার ৭নং হরিরামপুর ইউনিয়নে আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক অঙ্গনে শুরু হয়েছে নতুন নেতৃত্ব নিয়ে আলোচনা। সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন উপজেলা বিএনপির সাবেক প্রচার সম্পাদক, সৎ ও জনবান্ধব রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব মো. মহিউদ্দিন খান। স্থানীয় মহলে ইতোমধ্যে তাঁর সম্ভাব্য প্রার্থিতা নিয়ে জল্পনা-কল্পনা শুরু হয়েছে।
জানা গেছে, তিনি ২০১৬ সালের হরিরামপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থী হিসেবে ‘ধানের শীষ’ প্রতীক নিয়ে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। সে সময় ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডে ব্যাপক গণসংযোগ ও দলীয় প্রচারণা পরিচালনা করেন।
দলীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে তিনি তৃণমূল রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। স্থানীয় উন্নয়ন, অবকাঠামো সম্প্রসারণ, শিক্ষা ও সামাজিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণের মাধ্যমে ইউনিয়নের একটি বড় অংশের মানুষের কাছে তিনি পরিচিত মুখ হয়ে উঠেছেন।
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে সম্ভাব্য প্রার্থীদের তৎপরতা বাড়ছে। এ প্রেক্ষাপটে মো. মহিউদ্দিন খানের নাম গুরুত্বের সঙ্গে উচ্চারিত হচ্ছে। যদিও এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি।
স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে তিনি একজন সক্রিয় সংগঠক হিসেবে পরিচিত। উপজেলা বিএনপির সাবেক প্রচার সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে দলীয় কর্মসূচি বাস্তবায়ন ও তৃণমূল সংগঠনকে শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকা প্রশংসিত হয়েছে বলে জানা যায়।
হরিরামপুর ইউনিয়নের উন্নয়ন, অবকাঠামো সম্প্রসারণ, শিক্ষা ও কৃষিখাতের অগ্রগতি এবং সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি বাস্তবায়নে তিনি বিভিন্ন সময় মতামত ও পরিকল্পনা তুলে ধরেছেন। স্থানীয়দের মতে, সৎ ও স্বচ্ছ নেতৃত্বই পারে ইউনিয়ন পরিষদকে আরও গতিশীল ও জনবান্ধব প্রতিষ্ঠানে রূপ দিতে।
সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে তিনি ইতোমধ্যে বিভিন্ন ওয়ার্ডে গণসংযোগ চালাচ্ছেন বলে জানা গেছে। তরুণ সমাজ, কৃষক, শ্রমিক ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মতবিনিময়ের মাধ্যমে উন্নয়ন ভাবনা তুলে ধরছেন। তাঁর সমর্থকদের দাবি, অভিজ্ঞতা ও সততার সমন্বয়ে তিনি হরিরামপুর ইউনিয়নকে একটি আধুনিক ও উন্নয়নমুখী মডেল ইউনিয়নে রূপ দিতে সক্ষম হবেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থীর ব্যক্তিগত গ্রহণযোগ্যতা, সততা ও সাংগঠনিক দক্ষতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর প্রার্থীদের চূড়ান্ত অবস্থান আরও স্পষ্ট হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।