
মামুন হাসান, ভালুকা (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি:
ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার ০৯ নং কাচিনা ইউনিয়নের (০৪ নং ওয়ার্ড)কাচিনা কাচারীঘাটা গ্রামের প্রায় ০৩ কিলোমিটার কাঁচা রাস্তা দীর্ঘদিনেও পাকা না হওয়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। প্রতিদিন কয়েক হাজার মানুষ এই সড়ক ব্যবহার করলেও সামান্য বৃষ্টিতেই রাস্তা কর্দমাক্ত হয়ে চলাচলের সম্পূর্ণ অনুপযোগী হয়ে পড়ে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, বর্ষা মৌসুমে রাস্তাটি কাদা ও পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় যানবাহন চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে যায়। ফলে কাচিনা কাচারীঘাটা থেকে বাটাজোর বাজারে যেতে কয়েক কিলোমিটার ঘুরে যেতে হয়। এতে কৃষকদের উৎপাদিত ধানসহ বিভিন্ন কৃষিপণ্য বাজারজাত করতে অতিরিক্ত সময় ও অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে।
এ ছাড়া ইউনিয়ন পরিষদ, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাটবাজার ও প্রয়োজনীয় সেবাকেন্দ্রে যাতায়াতের জন্য এই সড়কই এলাকাবাসীর একমাত্র ভরসা। দীর্ঘদিন ধরে সড়কটি পাকাকরণের দাবি জানানো হলেও কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
কাচিনা কাচারীঘাটা গ্রামের বাসিন্দা মো. দুলাল হোসেন বলেন, “ভোটের সময় জনপ্রতিনিধিরা রাস্তা পাকা করার প্রতিশ্রুতি দিলেও গত ৩০–৩৫ বছরেও কোনো বাস্তব অগ্রগতি হয়নি। বর্ষাকালে কাদার কারণে কৃষিপণ্য বাজারে নিতে চরম কষ্ট করতে হয়।”
এছাড়া ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা যুবদলের সহ-কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক ছাত্রনেতা মাজহারুল ইসলাম বুলবুল (এম.বি.এস., এল.এল.বি.) বলেন।
“এই রাস্তাটিই আমাদের চলাচলের একমাত্র মাধ্যম। বিকল্প কোনো রাস্তা নেই। সামান্য বৃষ্টিতেই বড় বড় গর্ত, কাদা ও পিচ্ছিল অবস্থার সৃষ্টি হয়। ফলে শিক্ষার্থী, কৃষকসহ সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে প্রতিদিন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।”
স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে রাস্তা পাকাকরণের বিষয়ে কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। তারা দ্রুত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, মাননীয় সংসদ সদস্য (ফখরুদ্দিন বাচ্চু)বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে দ্রুত কাচিনা কাচারীঘাটা সড়কটি পাকাকরণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। তাদের বিশ্বাস, এই সড়কটি পাকা হলে এলাকার হাজারো মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের অবসান ঘটবে এবং কৃষি, শিক্ষা ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন হবে।