1. admin@doinikbartamansongbadbd.com : admin :
শিরোনাম: শিশুদের দিয়ে ‘কালেকশন’ নয়—মাহফিলের মর্যাদা রক্ষায় সচেতন হওয়ার আহ্বান - দৈনিক বর্তমান সংবাদ
শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০১:৪৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বাঘায় রাজনীতি মানেই কেবল ক্ষমতা নয়, প্রমাণ করে চলেছেন যুবদল কর্মী মিজানুর রহমান সুমন এক হাতে লাঠি, অন্য হাতে ডালপালার ঝাড়ু—এক যুগের বেশি সময় ধরে কবরস্থানের নীরব সেবক অ্যাডভোকেট মওলা বক্স তারেক রহমানের ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির ধারাবাহিকতায় বিরামপুরে ছাত্রদলের বৃক্ষরোপণ ত্রিশাল থানার এসআই নাহিদের বিরুদ্ধে অপহরণ ও চাঁদা দাবির অভিযোগ, আদালতের নির্দেশে মামলা বিশ্ব শিক্ষক দিবসে বিরামপুরে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা পরিকল্পিত সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে ত্রিশালে শ্রমিক দলের বিক্ষোভ মিছিলও সমাবেশ সৌদি আরবের দাম্মাম থেকে ২০ দিন ধরে নিখোঁজ মোহাম্মদ রাহেল খালেদা জিয়া স্মৃতি গোল্ডকাপের উদ্বোধনে উঠল কাটলার খেলার মাঠের দাবি বিরামপুরে খালেদা জিয়া স্মৃতি গোল্ডকাপ উদ্বোধন, খালেদা জিয়ার চরিত্রে অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী মারজুক সিভিল সার্জন ডা. মোঃ গোলাম রসুল রাখির উদ্বোধনে নবাবগঞ্জে চালু সিজারিয়ান অপারেশন, প্রথম দুই প্রসূতির সফল অস্ত্রোপচার

শিরোনাম: শিশুদের দিয়ে ‘কালেকশন’ নয়—মাহফিলের মর্যাদা রক্ষায় সচেতন হওয়ার আহ্বান

স্টাফ রিপোর্টার আব্দুল মতিন মুন্সী
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ১৯ নভেম্বর, ২০২৫
  • ১০৮ বার পঠিত

ধর্মীয় মাহফিল আয়োজন একটি পবিত্র ও সম্মানজনক কাজ। কিন্তু সামর্থ্যের বাইরে গিয়ে আয়োজন করতে গিয়ে অনেক এলাকায় দেখা যাচ্ছে উদ্বেগজনক চিত্র—ঘরে ঘরে পাঠানো হচ্ছে ছোট ছোট বাচ্চাদের। হাতে দেওয়া হচ্ছে ছোট খাতা বা ব্যাগ, আর সেই শিশুদের বলা হচ্ছে, “মাহফিলের জন্য সাহায্য দেন, ৫–১০ টাকা দেন।”
এই দৃশ্য সাধারণ মানুষের মনে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করছে।

সামাজিকভাবে সক্রিয় ব্যক্তিরা মনে করছেন—এভাবে সাহায্য সংগ্রহ করতে গেলে শুধু মাহফিলের মর্যাদা নষ্ট হয় না, ধর্মের প্রতিও মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি নেতিবাচক হয়ে যায়। অনেকেই বলছেন, সামর্থ্য না থাকলে ছোট পরিসরে মাহফিল করা যেতে পারে, কিন্তু শিশুদের দিয়ে অর্থ সংগ্রহ করানো কোনওভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

এ বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন,
“ধর্ম মানুষের হৃদয়ের বিষয়। এভাবে হাত পেতে টাকা চাইলে ধর্মকে হেয় করা হয়। মাহফিল করতে হলে সামর্থ্যের মধ্যে করতে হবে—না হলে আয়োজন না করাই ভালো।”

ধর্মীয় ব্যক্তির মন্তব্য

স্থানীয় এক আলেম ও মসজিদের খতিব হাফেজ মাওলানা আবদুল কুদ্দুস এ বিষয়ে বলেন,
“ধর্মীয় মাহফিল মানুষের ঈমান, নীতি ও আখলাক গঠনের জন্য আয়োজন করা হয়। ছোট শিশুদের দিয়ে ঘরে ঘরে সাহায্য চাওয়া সম্পূর্ণ অনুচিত এবং ইসলামের শিষ্টাচারের বিরুদ্ধাচরণ। ধর্ম ছোট হয় না—ছোট হয় আমাদের আচরণ। সামর্থ্য না থাকলে ছোট করে আয়োজন করা উত্তম, কিন্তু মানুষের দরজায় দরজায় হাত পেতে টাকা চাওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।”

তিনি আরও বলেন,
“শিশুরা আমাদের ভবিষ্যৎ। তাদের হাতে খাতা বা ব্যাগ দিয়ে ভিক্ষাবৃত্তির মতো কাজে লাগানো ধর্মীয় ও সামাজিক দৃষ্টিকোণ থেকে অত্যন্ত নিন্দনীয়। এ ধরনের কাজ বন্ধ করতে সমাজের সবাইকে সচেতন হতে হবে।”

সচেতন মহলের দাবি

বিশ্লেষকদের মতে, ধর্মীয় আয়োজনের পবিত্রতা রক্ষায় এমন অনৈতিক প্রথা বন্ধ করা জরুরি। মাহফিল আয়োজনের আগে আয়োজকদের নিজেদের সক্ষমতা বিবেচনা করা এবং প্রয়োজনীয় পরামর্শ নেওয়া উচিত।

কমিউনিটির দাবি—
শিশুদের দিয়ে ‘কালেকশন’ নয়; ধর্মীয় অনুষ্ঠানের মর্যাদা রক্ষা করা হোক, এবং সামর্থ্যের মধ্যেই আয়োজন করা হোক মাহফিল।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৫ দৈনিক বর্তমান সংবাদ