1. admin@doinikbartamansongbadbd.com : admin :
কোথায় সবুজ?” — নিখোঁজের অভিযোগ থেকে শুরু দিনাজপুর পুলিশের নিখুঁত তদন্ত - দৈনিক বর্তমান সংবাদ
শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৩৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ময়মনসিংহে ঘুষ কেলেঙ্কারিতে সম্পৃক্ত জেলা অফিস-বদলী হলো উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ভালুকায় সরকারি রাস্তা নষ্ট করে মাটির ব্যবসার অভিযোগ, ভোগান্তিতে এলাকাবাসী নন্দীগ্রামে জাকের পার্টির ৩৭ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে দাওয়াতী মিশন সভা ভোগান্তিতে ভালুকার কাচিনা ইউনিয়নের কাচারীঘাটা এলাকার বাসিন্দারা, কথা রাখেননি জনপ্রতিনিধিরা সুরখালি ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সদস্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় এস এম নাজমুল ইসলাম ভালুকায় নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়ন নিয়ে জনমনে প্রশ্ন, মাদকমুক্ত সমাজ গঠনের দাবিও জোরালো বটিয়াঘাটায় বৃদ্ধকে অপহরণ করে মুক্তিপণ দাবি, থানায় এজাহার সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় মৎস্য আড়ত ইজারার দাবিতে মানববন্ধন নন্দীগ্রামে প্রকাশ্যে মাদক সেবনে বাধা দেওয়ায়  সাংবাদিকের ওপর দুর্বৃত্তের হামলা নন্দীগ্রামে জামায়াতে ইসলামীর বুড়ইল ইউনিয়ন কর্মী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

কোথায় সবুজ?” — নিখোঁজের অভিযোগ থেকে শুরু দিনাজপুর পুলিশের নিখুঁত তদন্ত

দৈনিক বর্তমান সংবাদ ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৫
  • ২২৩ বার পঠিত

মোঃ ইব্রাহীম মিঞা, দিনাজপুর প্রতিনিধি:

২৩ সেপ্টেম্বর সকালে আটপুকুরহাট ব্যাংকে যাওয়ার কথা বলে বের হয়েছিলেন সাব্বির হোসেন সবুজ। দিন গড়িয়ে রাত, রাত পেরিয়ে পরদিন— পরিবার তার কোনো খোঁজ পাচ্ছিল না। ২৪ সেপ্টেম্বর থানায় করা হয় জিডি। ২৫ সেপ্টেম্বর জমা পড়ে এজাহার, ছয়জনের নাম উল্লেখ করে।

দিনাজপুর জেলা পুলিশ তখনই শুরু করে মাঠ পর্যায়ের অনুসন্ধান। পুলিশ সুপার মোঃ মারুফাত হুসাইন নির্দেশ দেন দ্রুত তদন্তে নেমে ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনের। দায়িত্ব নেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মোঃ আনোয়ার হোসেন। ফুলবাড়ী থানার ওসি’র নেতৃত্বে একাধিক টিম কাজ শুরু করে।

প্রাথমিক তথ্যসূত্র, সাক্ষ্য ও প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণের মাধ্যমে চিহ্নিত হয় সন্দেহভাজন কয়েকজন। একের পর এক অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয় পাঁচজনকে। এরপর মূল সাফল্য আসে যখন এজাহারনামীয় আসামি আব্দুর হামেদকে তিন দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়।

রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদে হামেদ হত্যার কথা স্বীকার করে এবং হত্যাকাণ্ডের বিস্তারিত বর্ণনা দেয়। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ ১৮ অক্টোবর সকাল থেকে মাঠে নামে। তদন্তদল বরেন্দ্র প্রকল্পের একটি গভীর নলকূপের পাইপের ভেতর থেকে উদ্ধার করে বিচ্ছিন্ন মস্তক, আর তার বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় হত্যায় ব্যবহৃত কোদাল ও হাসুয়া।

এই উদ্ধার শুধু একটি হত্যাকাণ্ডের রহস্যই উন্মোচন করেনি, বরং জেলা পুলিশের দক্ষতা ও দ্রুত পদক্ষেপের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। হত্যার নেপথ্যে ব্যক্তিগত ক্ষোভ ও হঠাৎ সৃষ্ট উত্তেজনাই কারণ বলে প্রাথমিকভাবে মনে করছে পুলিশ।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৫ দৈনিক বর্তমান সংবাদ