
মো:আবদুল লতিফ, লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি:
লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার ১০ টি ইউনিয়ন ও ১ টি পৌরসবায় ছোট-বড় সড়ক রয়েছে প্রায় শতাধিক। সেগুলোর ৮০ শতাংশই ভাঙ্গাচোরা, গর্ত ও খানাখন্দে ভরা।এতে যান চলাচল ও জনদূর্ভোগ চরমে উঠেছে।দীর্ঘদিন ধরে সড়কগুলো সংস্কারবিহীন থাকায় এখন যানবাহন চলাচল দূরের কথা মানুষ চলাললেরব অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।
এসব সড়কে প্রতিদিনই কোথাও না কোথাও ঘটছে দুর্ঘটনা।
স্কুল কলেজগামী শিক্ষার্থী,রোগী, কর্মজীবী ও সাধারন মানুষকে পড়তে হচ্ছে ভোগান্তিতে।সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উদাসীনতার কারনেই সড়কগুলো সংস্কার বা মেরামত করা হচ্ছেনা বলে ভুক্তভোগী জনসাধারনের অভিযোগ।রায়পুর – কাপিলাতলি সড়ক বা পীর ফয়েজ উল্লাহ সড়কের জ্বীনের মসজিদ এলাকা থেকে পীর ফয়েজ উল্লাহ বাজার পর্যন্ত সড়কে কার্পেটিং উঠে গিয়ে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে।এসব গর্তে সিএনজি ও অটোরিকশা আটকে বা পড়ে গিয়ে ঘটছে মারাত্নক দুর্ঘটনা।
স্থানীয়রা বলেন,বৃষ্টি হলেই গভীর গর্তগুলোতে পানি জমে গিয়ে এমন অবস্থা হয় তখন বুঝা যায়না কোনটা গর্ত কোনটা সড়ক? এমন দৃশ্য দেখা গেছে রায়পুরের প্রানকেন্দ্র শহীদ ওসমান চত্বরের সামনের চৌরাস্তা থেকে হায়দরগঞ্জ সড়কের নর্দম পর্যন্ত,রায়পুর – চাঁদপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের বোয়ার্ডার বাজার পর্যন্ত, রায়পুর – মীরগঞ্জ, রায়পুর – পানপাড়া,রায়পুর – বাংলাবাজার,রায়পুর নতুনবাজারের মহিলা কলেজ সড়ক।
এ সড়কগুলো পথচারী ও শিক্ষার্থীদের জন্য যেন এক যুদ্ধের ময়দান।তা ছাড়া উপজেলার অনেক অভ্যন্তরীণ কাচা-পাকা সড়ক রয়েছে যেগুলো দিয়ে শিশু ও বৃদ্ধরা চলাচল করতে পারছেনা।পৌর সভার প্রকৌশলী কামরুল হাসান বলেন,কয়েকটি সড়কের দরপত্র আহবান করা হয়েছে কিন্তু অতিবৃষ্টির কারনে ঠিকাদাররা কাজ করতে পারছেনা।তবে শীঘ্রই কাজ শুরু করা হবে।
রায়পুর উপজেলা (এলজিইডি) প্রকৌশলী সুমন মুন্সী বলেন বন্যা ও জলাবদ্ধতায় ক্ষতিগ্রস্ত সড়কগুলো সংস্কারের পরিকল্পনা গ্রহন করা হয়েছে।বরাদ্ধ পাওয়া মাত্রই দ্রুত সড়কগুলোর কাজ সম্পন্ন করে জনসাধারনের দুর্ভোগ দূর করা হবে।