1. admin@doinikbartamansongbadbd.com : admin :
ইবিতে নিজ দপ্তরে নারী শিক্ষককে কুপিয়ে হত্যা, কর্মচারীর আত্মহত্যার চেষ্টা - দৈনিক বর্তমান সংবাদ
শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৩৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ময়মনসিংহে ঘুষ কেলেঙ্কারিতে সম্পৃক্ত জেলা অফিস-বদলী হলো উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ভালুকায় সরকারি রাস্তা নষ্ট করে মাটির ব্যবসার অভিযোগ, ভোগান্তিতে এলাকাবাসী নন্দীগ্রামে জাকের পার্টির ৩৭ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে দাওয়াতী মিশন সভা ভোগান্তিতে ভালুকার কাচিনা ইউনিয়নের কাচারীঘাটা এলাকার বাসিন্দারা, কথা রাখেননি জনপ্রতিনিধিরা সুরখালি ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সদস্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় এস এম নাজমুল ইসলাম ভালুকায় নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়ন নিয়ে জনমনে প্রশ্ন, মাদকমুক্ত সমাজ গঠনের দাবিও জোরালো বটিয়াঘাটায় বৃদ্ধকে অপহরণ করে মুক্তিপণ দাবি, থানায় এজাহার সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় মৎস্য আড়ত ইজারার দাবিতে মানববন্ধন নন্দীগ্রামে প্রকাশ্যে মাদক সেবনে বাধা দেওয়ায়  সাংবাদিকের ওপর দুর্বৃত্তের হামলা নন্দীগ্রামে জামায়াতে ইসলামীর বুড়ইল ইউনিয়ন কর্মী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

ইবিতে নিজ দপ্তরে নারী শিক্ষককে কুপিয়ে হত্যা, কর্মচারীর আত্মহত্যার চেষ্টা

দৈনিক বর্তমান সংবাদ ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ, ২০২৬
  • ৭৩ বার পঠিত

নাসিম উদ্দীন স্টাফ রিপোর্টারঃ

৪ মার্চ, ২০২৬ ইংরেজি তারিখ,ঘটনাটি ঘটে,
​কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতি ও সহকারী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনাকে (৪০) নিজ কার্যালয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। আজ বুধবার বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের থিওলজি অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ অনুষদ ভবনে এই ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত হামলাকারী ফজলুর রহমান বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের একজন কর্মচারী। শিক্ষককে আঘাতের পর তিনি নিজেও আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন বলে জানা গেছে।
​হামলার বিবরণ ও উদ্ধার
​প্রত্যক্ষদর্শী ও বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, আজ বিকেল আনুমানিক ৪টার দিকে সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতির কক্ষে প্রবেশ করেন ফজলুর রহমান। এর কিছুক্ষণ পরই কক্ষের ভেতর থেকে ধস্তাধস্তি ও চিৎকারের শব্দ শুনে শিক্ষার্থী ও পাশের কক্ষের শিক্ষকরা সেখানে ছুটে যান। ভেতরে গিয়ে তারা অধ্যাপক রুনা ও কর্মচারী ফজলুরকে রক্তাক্ত অবস্থায় মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখেন।
​তৎক্ষণাৎ তাদের উদ্ধার করে প্রথমে বিশ্ববিদ্যালয় চিকিৎসা কেন্দ্র এবং পরে গুরুতর অবস্থায় কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
​চিকিৎসকদের বক্তব্য
​কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে শিক্ষক আসমা সাদিয়া রুনার মৃত্যু হয়েছে। তার শরীরে একাধিক গভীর আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। অন্যদিকে, অভিযুক্ত ফজলুর রহমানের গলায় ধারালো অস্ত্রের আঘাত থাকায় তার অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক। বর্তমানে তাকে পুলিশি পাহারায় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
​বর্তমান পরিস্থিতি ও প্রশাসনের ভূমিকা
​এই ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে চরম উত্তেজনা ও শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ঘটনার পরপরই সাধারণ শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা ও বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন।
​বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার জানিয়েছেন:
​”প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে এটি একটি পরিকল্পিত হামলা। হামলাকারী নিজেও আত্মহত্যার চেষ্টা করায় তাৎক্ষণিকভাবে মোটিভ জানা সম্ভব হয়নি। আমরা ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করেছি এবং তদন্ত শুরু হয়েছে।”
​শোকের ছায়া
​নিহত আসমা সাদিয়া রুনা শিক্ষক হিসেবে অত্যন্ত জনপ্রিয় ছিলেন। তার এমন মর্মান্তিক মৃত্যুতে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার স্তব্ধ। উপাচার্য (ভিসি) এই ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং দ্রুত তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৫ দৈনিক বর্তমান সংবাদ