1. admin@doinikbartamansongbadbd.com : admin :
লক্ষ্মীপুরে পিতৃপরিচয় সনাক্ত করতে ৫ বছর পর কবর থেকে লাশ উত্তোলন - দৈনিক বর্তমান সংবাদ
শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:২৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ময়মনসিংহে ঘুষ কেলেঙ্কারিতে সম্পৃক্ত জেলা অফিস-বদলী হলো উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ভালুকায় সরকারি রাস্তা নষ্ট করে মাটির ব্যবসার অভিযোগ, ভোগান্তিতে এলাকাবাসী নন্দীগ্রামে জাকের পার্টির ৩৭ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে দাওয়াতী মিশন সভা ভোগান্তিতে ভালুকার কাচিনা ইউনিয়নের কাচারীঘাটা এলাকার বাসিন্দারা, কথা রাখেননি জনপ্রতিনিধিরা সুরখালি ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সদস্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় এস এম নাজমুল ইসলাম ভালুকায় নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়ন নিয়ে জনমনে প্রশ্ন, মাদকমুক্ত সমাজ গঠনের দাবিও জোরালো বটিয়াঘাটায় বৃদ্ধকে অপহরণ করে মুক্তিপণ দাবি, থানায় এজাহার সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় মৎস্য আড়ত ইজারার দাবিতে মানববন্ধন নন্দীগ্রামে প্রকাশ্যে মাদক সেবনে বাধা দেওয়ায়  সাংবাদিকের ওপর দুর্বৃত্তের হামলা নন্দীগ্রামে জামায়াতে ইসলামীর বুড়ইল ইউনিয়ন কর্মী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

লক্ষ্মীপুরে পিতৃপরিচয় সনাক্ত করতে ৫ বছর পর কবর থেকে লাশ উত্তোলন

মো:আবদুল লতিফ,ষ্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ২১ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ৭০ বার পঠিত

লক্ষ্মীপুরে এক শিশু কন্যার পিতৃ পরিচয় সনাক্ত করতে দাফনের প্রায় ৫ বছর পর কবর থেকে আবদুল মান্নান নামে এক প্রবাসীর লাশ উত্তোলন করা হয়েছে। উচ্চ আদালতের আদেশের পর বুধবার (২১ জানুয়ারি) দুপুরের দিকে সদর উপজেলার দক্ষিণ হামছাদি ইউনিয়নের গঙ্গাপুর গ্রামে ওই প্রবাসীর পারিবারিক কবরস্থান থেকে তার মরদেহ উত্তোলন করা হয়। এসময় জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট হাসান মোহাম্মদ নাহিদের নেতৃত্বে উপস্থিত ছিলেন সদর হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার কমলা শীষ রায়সহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যবৃন্দ।
‎নিহত আবদুল মন্নান সোহেল হামছাদি ইউনিয়নের মৃত আবদুল কাদেরের ছেলে। তিনি পেশায় কুয়েত প্রবাসী ব্যবসায়ী ছিলেন।

‎মামলা ও স্থানীয সূত্রে জানা যায় , প্রবাসী আবদুল মান্নান প্রবাস জীবনে বিপুল সম্পদের মালিক হন। তিনি বিবাহের পূর্বেই হার্নিয়া রোগে আক্রান্ত হয়ে অপারেশন কালে সন্তান জন্মদানে অক্ষম হয়।২০০৮ সালে ১লা মে লাহারকান্দি ইউনিয়নের রুহুল আমিনের মেয়ে সাবিনা ইয়াছমিন সুইটিকে বিবাহ করেন। বিবাহের পর স্ত্রীকে নিয়ে দীর্ঘ ১৩ বছর প্রবাসে দাম্পত্য জীবনে কোন সন্তান লাভ করতে পারেননি তারা। এজন্য দফায় দফায় চিকিৎসকের দ্বারস্ত হয়েও ব্যর্থ হন আবদুল মান্নান দাম্পতি। এরপর মৃত্যুর পূর্বে ৪/৫ বছর নানা জটিল রোগ ও খাদ্য নালীতে ক্যান্সার আক্রান্ত হয়ে দীর্ঘ ২ বছর ভারতের এ্যাপোলো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর দেশে ফিরেন।

পরবর্তীতে ২০২১ সালের ১লা জুন ঢাকার ইবেনে সিনা হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। এদিকে আবদুল মান্নানের মৃত্যুর কয়েক সপ্তাহ পূর্বে স্ত্রী সাবিনা ইয়াছমিন গর্ভবতী হয়। এতেই বাঁধে বিপত্তি। মৃত্যুর পূর্বেই আবদুল মান্নান তার আত্মীয় ও এলাকাবাসীকে গর্ভের সন্তানটি তার নয় বলে জানিয়ে গেছেন বলে দাবী স্বজনদের।

এদিকে আবদুল মান্নানের মৃত্যুর পর স্ত্রী সুইটি তার গর্ভের সন্তানকে মান্নানের ঔরসজাত সন্তান দাবী করে স্বামী মান্নানের রেখে যাওয়া প্রায় ৫০কোটি টাকা মূল্যের বাড়িসহ সমস্ত সম্পত্তি দখলের পায়তারা চালায়। এঘটনায় প্রতিকার চেয়ে নিহত আবদুল মান্নানের মাতা কাজল রেখা, ভাই শওকত, রাজু ও রুমা আক্তার বাদী হয়ে লক্ষ্মীপুরের যুগ্ম জেলা জজ ১ম আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। এতে আবদুল মান্নানের স্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন সুইটি ও কন্যা সন্তান আয়েশা মনিকে (নাবালিকা) বিবাদী করা হয়।

দীর্ঘ শুনানী ও প্রমানের ভিত্তিতে আদালত বিবাদীর বিরুদ্ধে রায় দেয়। পরবর্তিতে বিবাদী মান্নানের স্ত্রী সুইটি আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করলে হাইকোট কন্যা সন্তান আয়েশা মনির পিতৃ পরিচয় সনাক্ত করতে আবদুল মান্নানের লাশ উত্তোলনের আদেশ জারি করেন। এ প্রেক্ষিতে দাফনের সাড়ে চার বছর পর পারিবারিক কবরস্থান থেকে লাশ উত্তোলন করা হয়।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৫ দৈনিক বর্তমান সংবাদ