1. admin@doinikbartamansongbadbd.com : admin :
বাগমারায় শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্বাচিত মচমইল ডিগ্রি কলেজ - দৈনিক বর্তমান সংবাদ
শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৩৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ময়মনসিংহে ঘুষ কেলেঙ্কারিতে সম্পৃক্ত জেলা অফিস-বদলী হলো উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ভালুকায় সরকারি রাস্তা নষ্ট করে মাটির ব্যবসার অভিযোগ, ভোগান্তিতে এলাকাবাসী নন্দীগ্রামে জাকের পার্টির ৩৭ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে দাওয়াতী মিশন সভা ভোগান্তিতে ভালুকার কাচিনা ইউনিয়নের কাচারীঘাটা এলাকার বাসিন্দারা, কথা রাখেননি জনপ্রতিনিধিরা সুরখালি ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সদস্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় এস এম নাজমুল ইসলাম ভালুকায় নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়ন নিয়ে জনমনে প্রশ্ন, মাদকমুক্ত সমাজ গঠনের দাবিও জোরালো বটিয়াঘাটায় বৃদ্ধকে অপহরণ করে মুক্তিপণ দাবি, থানায় এজাহার সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় মৎস্য আড়ত ইজারার দাবিতে মানববন্ধন নন্দীগ্রামে প্রকাশ্যে মাদক সেবনে বাধা দেওয়ায়  সাংবাদিকের ওপর দুর্বৃত্তের হামলা নন্দীগ্রামে জামায়াতে ইসলামীর বুড়ইল ইউনিয়ন কর্মী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

বাগমারায় শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্বাচিত মচমইল ডিগ্রি কলেজ

স্টাফ রিপোর্টের
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ১৭ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ১৫৭ বার পঠিত

রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মচমইল ডিগ্রি কলেজ চলতি বছর (২০২৬) উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে। শিক্ষা ক্ষেত্রে ধারাবাহিক সাফল্য, সন্তোষজনক ফলাফল, সুশৃঙ্খল শিক্ষা পরিবেশ ও দক্ষ প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনার স্বীকৃতিস্বরূপ প্রতিষ্ঠানটিকে এ সম্মাননা প্রদান করা হয়।

রাজশাহী শিক্ষা বোর্ড ও উপজেলা শিক্ষা প্রশাসনের সার্বিক মূল্যায়নের ভিত্তিতে মচমইল ডিগ্রি কলেজকে এ বছরের শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে মনোনীত করা হয়। সম্প্রতি আনুষ্ঠানিকভাবে মচমইল ডিগ্রি কলেজকে এ স্বীকৃতি প্রদান করা হয়।

১৯৮৭ সালে প্রতিষ্ঠিত মচমইল ডিগ্রি কলেজ দীর্ঘদিন ধরে বাগমারা উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে। গ্রামীণ জনপদের উচ্চশিক্ষা বঞ্চিত জনগোষ্ঠীকে শিক্ষার আলোয় আলোকিত করার লক্ষ্যে স্থানীয় শিক্ষানুরাগী ব্যক্তিবর্গের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় প্রতিষ্ঠানটির যাত্রা শুরু হয়। কলেজ প্রতিষ্ঠায় এলাকার প্রায় ৫০ জন শিক্ষানুরাগী ও বিদ্যোৎসাহী ব্যক্তি এককালীন ৪১৮ শতক জমি দান করেন।

কলেজটি প্রতিষ্ঠায় স্থানীয় দানশীল ব্যক্তি স্বর্গীয় বাবু রাখাল চন্দ্র দাশসহ একাধিক শিক্ষানুরাগীর ভূমিকা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ খন্দকার সোহরাব হোসেন কলেজের ভিত্তি সুদৃঢ় করতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন।

প্রতিষ্ঠার শুরুতে কলেজটিতে উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে পাঠদান চালু হয়। পরবর্তীতে ১৯৯১ সালে বিজ্ঞান বিভাগ এবং ১৯৯৭ সালে স্নাতক (পাস) কোর্সের অনুমোদন লাভ করে। বর্তমানে কলেজে মানবিক, বিজ্ঞান ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে উচ্চ মাধ্যমিক এবং ডিগ্রি (পাস) পর্যায়ে পাঠদান কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

সুশৃঙ্খল একাডেমিক পরিবেশ, নিয়মিত পাঠদান, অভিজ্ঞ শিক্ষক মণ্ডলী এবং শিক্ষার্থীদের ফলাফল উন্নয়নে বিশেষ নজর দেওয়ায় মচমইল ডিগ্রি কলেজের সুনাম দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।

কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ এম. এম. আবুল কালাম আজাদ–এর দক্ষ নেতৃত্বে শিক্ষা কার্যক্রম আরও গতিশীল হয়েছে। তাঁর তত্ত্বাবধানে পাঠদানের মানোন্নয়ন, শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং শিক্ষার্থীদের নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করা হচ্ছে।

এ কলেজ থেকে শিক্ষা গ্রহণ করে বহু শিক্ষার্থী বর্তমানে বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে সুনামের সঙ্গে কর্মরত রয়েছেন। শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে নির্বাচিত হওয়ায় শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মাঝে আনন্দ ও উৎসাহের সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় সচেতন মহল মনে করেন, এ স্বীকৃতি মচমইল ডিগ্রি কলেজকে ভবিষ্যতে আরও একটি আদর্শ ও মানসম্মত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৫ দৈনিক বর্তমান সংবাদ