1. admin@doinikbartamansongbadbd.com : admin :
মেঘনা থানার এসআই মশিউরের বদলি, মামলা বাণিজ্যের গুঞ্জন - দৈনিক বর্তমান সংবাদ
শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:২৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ময়মনসিংহে ঘুষ কেলেঙ্কারিতে সম্পৃক্ত জেলা অফিস-বদলী হলো উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ভালুকায় সরকারি রাস্তা নষ্ট করে মাটির ব্যবসার অভিযোগ, ভোগান্তিতে এলাকাবাসী নন্দীগ্রামে জাকের পার্টির ৩৭ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে দাওয়াতী মিশন সভা ভোগান্তিতে ভালুকার কাচিনা ইউনিয়নের কাচারীঘাটা এলাকার বাসিন্দারা, কথা রাখেননি জনপ্রতিনিধিরা সুরখালি ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সদস্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় এস এম নাজমুল ইসলাম ভালুকায় নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়ন নিয়ে জনমনে প্রশ্ন, মাদকমুক্ত সমাজ গঠনের দাবিও জোরালো বটিয়াঘাটায় বৃদ্ধকে অপহরণ করে মুক্তিপণ দাবি, থানায় এজাহার সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় মৎস্য আড়ত ইজারার দাবিতে মানববন্ধন নন্দীগ্রামে প্রকাশ্যে মাদক সেবনে বাধা দেওয়ায়  সাংবাদিকের ওপর দুর্বৃত্তের হামলা নন্দীগ্রামে জামায়াতে ইসলামীর বুড়ইল ইউনিয়ন কর্মী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

মেঘনা থানার এসআই মশিউরের বদলি, মামলা বাণিজ্যের গুঞ্জন

দৈনিক বর্তমান সংবাদ ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ১০৬ বার পঠিত

কাউসার আহম্মেদ মেঘনা(কুমিল্লা) প্রতিনিধি,

কুমিল্লার মেঘনা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মশিউরকে মেঘনা থানা থেকে বদলি করা হয়েছে।

(১৬ জানুয়ারি) মেঘনা থানা সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে। তবে মেঘনা থানা পুলিশের অফিসার্স ইনচার্জ শহীদুল ইসলাম এই বিষয়ে কোনো নির্দেশনা পাননি তিনি।

এদিকে, বদলি হওয়া এসআই মশিউর এর বিরুদ্ধে হয়রানি ও অনৈতিক আচরণের অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে।

অভিযোগকারীদের একজন জানান, ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে রামপ্রসাদের চরে অবৈধ বালু উত্তোলনের প্রতিবাদ করায় তাদের ৯ জনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলা দায়ের করা হয়। মামলার পরদিন গ্রামবাসী ও মেঘনার শুভাকাঙ্ক্ষীরা থানায় অবস্থান নিলে তৎকালীন মেঘনা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি), উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ সঠিক তদন্তের আশ্বাস দেন এবং শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতে যেন আইনি জটিলতায় পড়তে না হয় সে বিষয়েও প্রতিশ্রুতি দেন।

তবে অভিযোগকারীরা জানান, পরবর্তী সময়ে একাধিকবার থানায় খোঁজ নিলে মেডিকেল রিপোর্টের অজুহাতে ফাইনাল রিপোর্ট দেওয়া বিলম্বিত করা হয়। সর্বশেষ দুই মাসে এসআই মশিউরের আচরণ ও বক্তব্যে পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায় বলে অভিযোগ করা হয়।

মামলার বাদী আমজাদ হোসেন আপোসে মামলা প্রত্যাহারের কথা বললেও তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে এসআই মশিউরের তৎপরতা কমেনি। তিনি নাকি সার্কেল অফিসারের নির্দেশের কথা উল্লেখ করে তদন্ত এগিয়ে নেওয়ার কথা বলেন। একই সঙ্গে মেডিকেল রিপোর্ট না আসার অজুহাতে ফাইনাল রিপোর্ট দিতে অস্বীকৃতি জানান প্রথমে। এরপর মেডিকেল রিপোর্ট আনার পর জানান, এই মামলার আর ফাইনাল রিপোর্ট দেওয়া যাবে না।

অভিযোগে আরও বলা হয়, তদন্তের এক পর্যায়ে এসআই মশিউর অনৈতিক দাবি করেন এবং বলেন, “যতজন দেবে, ততজনের নাম চার্জশিটে থাকবে না।”

এজাহারে উল্লেখিত ঘটনার দিন অভিযোগকারীদের একজন রাজধানী ঢাকায় একটি জাতীয় অনলাইন সংবাদমাধ্যমের অফিসে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত কর্মরত ছিলেন বলে জানান। এ বিষয়ে তিনি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রত্যয়নপত্র তদন্ত কর্মকর্তার কাছে জমা দিলেও এসআই মশিউর তা গ্রহণযোগ্য নয় বলে মন্তব্য করেন এবং মৌখিক সাক্ষ্যকে বেশি গুরুত্ব দেন বলে অভিযোগ।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৫ দৈনিক বর্তমান সংবাদ