1. admin@doinikbartamansongbadbd.com : admin :
মেঘনা উপজেলার চালিভাঙ্গায় নৃশংস হামলায় আইসিইউতে মানিক মিয়া - দৈনিক বর্তমান সংবাদ
শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৩৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ময়মনসিংহে ঘুষ কেলেঙ্কারিতে সম্পৃক্ত জেলা অফিস-বদলী হলো উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ভালুকায় সরকারি রাস্তা নষ্ট করে মাটির ব্যবসার অভিযোগ, ভোগান্তিতে এলাকাবাসী নন্দীগ্রামে জাকের পার্টির ৩৭ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে দাওয়াতী মিশন সভা ভোগান্তিতে ভালুকার কাচিনা ইউনিয়নের কাচারীঘাটা এলাকার বাসিন্দারা, কথা রাখেননি জনপ্রতিনিধিরা সুরখালি ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সদস্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় এস এম নাজমুল ইসলাম ভালুকায় নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়ন নিয়ে জনমনে প্রশ্ন, মাদকমুক্ত সমাজ গঠনের দাবিও জোরালো বটিয়াঘাটায় বৃদ্ধকে অপহরণ করে মুক্তিপণ দাবি, থানায় এজাহার সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় মৎস্য আড়ত ইজারার দাবিতে মানববন্ধন নন্দীগ্রামে প্রকাশ্যে মাদক সেবনে বাধা দেওয়ায়  সাংবাদিকের ওপর দুর্বৃত্তের হামলা নন্দীগ্রামে জামায়াতে ইসলামীর বুড়ইল ইউনিয়ন কর্মী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

মেঘনা উপজেলার চালিভাঙ্গায় নৃশংস হামলায় আইসিইউতে মানিক মিয়া

কাউসার আহম্মেদ (মুজাদ্দেদী) মেঘনা,কুমিল্লা প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর, ২০২৫
  • ৭১৩ বার পঠিত

গত ১১ সেপ্টেম্বর — মেঘনা উপজেলার চালিভাঙ্গা ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের মৈশার চরে এক নৃশংস হামলার ঘটনা ঘটেছে; এতে গণ অধিকার পরিষদের কর্মী মোহাম্মদ আরিফের পিতা মানিক মিয়া গুরুতর আহত হয়ে বর্তমানে ঢাকা মেডিকেলের আইসিইউতে মৃত্যুশয্যায় রয়েছেন। স্থানীয়দের দাবি, ঘটনাটি পূর্বপরিকল্পিত এবং হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেফতার না হলে এলাকার মানুষ আতঙ্কিত।

স্থানীয় স্বজন ও প্রত্যক্ষদর্শীদের অভিযোগ, ১১ সেপ্টেম্বর ভোর সকাল ৭টা থেকে ৮টার মধ্যে পূর্ব শত্রুতার জেরে সালাম ও মনতাজ আলীর নেতৃত্বাধীন একটি দলে পরিকল্পিতভাবে মানিক মিয়াকে কুপিয়ে জখম করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে দ্রুত ঢাকা মেডিকেলে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা জানান, তার জীবনরক্ষা আপাতত সংকটাপন্ন ও বেঁচে থাকার সম্ভাবনা অত্যন্ত ক্ষীণ।

স্থানীয়রা উল্লেখ করেন, এটি কোনও সাধারণ বিবাদ নয়—এটি সম্পূর্ণভাবে পরিকল্পিত হামলা। ঘটনার পর এলাকায় ন্যায়বিচার ও সুশাসনের প্রশ্ন উত্থিত হয়েছে এবং মানুষ ব্যাপক শঙ্কায় রয়েছে। পরিবারের সদস্য ও গণ অধিকার পরিষদের নেতাকর্মীরা মেঘনা উপজেলা প্রশাসন, থানা পুলিশ ও জেলা প্রশাসনকে দ্রুততর তৎপরতা নিয়ে দোষীদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি করেছেন। তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে হামলাকারীরা দেশত্যাগের চেষ্টা করতে পারে; তাই তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।

ছাত্র অধিকার পরিষদ মেঘনা উপজেলা শাখার সভাপতি আমির ইসলাম রহিম ঘটনাস্থল ও আক্রান্ত পরিবারের সাথে কথা বলেছেন। তিনি বলেন, “এই ন্যাক্কারজনক হামলা শুধুমাত্র একজন ব্যক্তির বিরুদ্ধে নয়—এটি আমাদের পুরো গণ অধিকার পরিষদের ওপর আঘাত। যারা নিরপরাধ মানুষের রক্ত ঝরিয়েছে, তাদের অপরাধ কোনোভাবেই মওকুফ নয়; যে-ই হোক, আইনের কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে শাস্তি করা হবে। মেঘনায় সন্ত্রাস ও গুন্ডামির কোনো স্থান নেই। আমরা শান্তিপূর্ণ রাজনীতিতে বিশ্বাসী; কিন্তু কেউ যদি আইনকে অবমাননা করে, সাধারণ মানুষের ওপর হামলা চালায়, তবে আমরা জনগণকে নিয়ে কঠোর প্রতিরোধ গড়ে তুলতে বাধ্য হবো।”
রহিম আরও বলেন, “প্রশাসনকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলছি—দ্রুত তদন্ত করুন, হামলাকারীদের গ্রেফতার করুন এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করুন। অন্যথায় আমরা কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করতে বাধ্য হবো। জনগণের রক্ত বৃথা যাবে না; এই ঘটনার পূর্ণ বিচার না হওয়া পর্যন্ত আমরা মাঠ ছাড়ব না।”

সাক্ষ্য ও স্থানীয়দের বিবৃতিতে উল্লেখ আছে যে, পূর্বে হরিপুর সংক্রান্ত একটি ঘটনায় নানাবিধ ষড়যন্ত্র ও মিথ্যা মামলার অপবাদ দিয়ে নিরপরাধ নেতাকর্মীদের ধরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে—এ ধরনের ঘটনা আবার ঘটলে তা মেনে নেবেনা বলে নেতা-সংশ্লিষ্টরা সতর্কতা জ্ঞাপন করেছেন। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, “যদি কেউ অপরাধ করে, দেশের আইন আছে—আইনের মাধ্যমে তাকে বিচার করা হোক। কিন্তু ষড়যন্ত্র করে নির্দোষ মানুষকে ফাঁসাতে চাইলে আমরা চুপ করে থাকব না।”

। এলাকাবাসী এবং রাজনৈতিক–সামাজিক সংগঠনগুলো এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায় বিচারের দাবি করে চলমান স্থানীয় প্রশাসন ও থানা পুলিশের প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি; তবে পরিবারের পক্ষ থেকে দ্রুত তদন্ত ও দোষীদের গ্রেফতারের অনুরোধ জানানো।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৫ দৈনিক বর্তমান সংবাদ