1. admin@doinikbartamansongbadbd.com : admin :
হাসপাতালে দলীয় সংকীর্ণতা: আহত নেতা দেখে অন্যকে উপেক্ষা, বিস্মিত বিএনপি মহল - দৈনিক বর্তমান সংবাদ
শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৩৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ময়মনসিংহে ঘুষ কেলেঙ্কারিতে সম্পৃক্ত জেলা অফিস-বদলী হলো উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ভালুকায় সরকারি রাস্তা নষ্ট করে মাটির ব্যবসার অভিযোগ, ভোগান্তিতে এলাকাবাসী নন্দীগ্রামে জাকের পার্টির ৩৭ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে দাওয়াতী মিশন সভা ভোগান্তিতে ভালুকার কাচিনা ইউনিয়নের কাচারীঘাটা এলাকার বাসিন্দারা, কথা রাখেননি জনপ্রতিনিধিরা সুরখালি ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সদস্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় এস এম নাজমুল ইসলাম ভালুকায় নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়ন নিয়ে জনমনে প্রশ্ন, মাদকমুক্ত সমাজ গঠনের দাবিও জোরালো বটিয়াঘাটায় বৃদ্ধকে অপহরণ করে মুক্তিপণ দাবি, থানায় এজাহার সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় মৎস্য আড়ত ইজারার দাবিতে মানববন্ধন নন্দীগ্রামে প্রকাশ্যে মাদক সেবনে বাধা দেওয়ায়  সাংবাদিকের ওপর দুর্বৃত্তের হামলা নন্দীগ্রামে জামায়াতে ইসলামীর বুড়ইল ইউনিয়ন কর্মী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

হাসপাতালে দলীয় সংকীর্ণতা: আহত নেতা দেখে অন্যকে উপেক্ষা, বিস্মিত বিএনপি মহল

স্টাফ রিপোর্টার: আব্দুল মতিন মুন্সী
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ১৯ নভেম্বর, ২০২৫
  • ২০৫ বার পঠিত

ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে ৭ নভেম্বর বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনায় উভয় পক্ষের একাধিক নেতাকর্মী আহত হলেও গুরুতর আহত ছিলেন দু’জন—বোয়ালমারী উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক ও উপজেলা বিএনপির নবগঠিত কমিটির সহ-সভাপতি মিজানুর রহমান লিপন মিয়া, এবং বোয়ালমারী পৌর বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক লিয়াকত হোসেন। দু’জনই একই হাসপাতালে পাশাপাশি শয্যায় চিকিৎসাধীন ছিলেন।

এই পরিস্থিতিতে সাবেক এমপি খন্দকার নাসিরুল ইসলাম তার সমর্থক লিয়াকতকে দেখতে গিয়ে প্রতিপক্ষ গ্রুপের লিপন মিয়ার সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন এবং দীর্ঘ সময় তার শয্যা পাশে অবস্থান করে খোঁজখবর নেন। এই মানবিক দৃষ্টান্ত হাসপাতাল ও বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে ইতিবাচক বার্তা ছড়িয়ে দেয়।

অন্যদিকে, উপজেলা বিএনপির নবনির্বাচিত সহসভাপতি শামসুদ্দিন মিয়া ঝুনু তার সমর্থক লিপন মিয়াকে দেখতে হাসপাতালে গিয়েও পাশের বেডে থাকা প্রতিপক্ষ লিয়াকত হোসেনের দিকে একবারও তাকাননি। এ ঘটনায় লিয়াকত হোসেন বিস্ময় ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন।

হাসপাতালের শয্যায় শুয়ে লিয়াকত হোসেন বলেন,
“৫ আগস্টের আগে ঝুনু ভাই একদিন থানায় আটক ছিলেন। দুপুর ১২টা নাগাদ তিনি সেখানে থাকলেও কেউ তাকে দেখতে যায়নি। তখন আমি আদালতের হুলিয়া থাকা সত্ত্বেও গিয়ে তাকে দেখেছি এবং খাবারের ব্যবস্থা করেছি। কিন্তু আজ তিনি হাসপাতালে এসে আমাকে একবারও দেখেননি—এটি চরম অসৌজন্যমূলক এবং কষ্টদায়ক।”

তিনি আরও বলেন,
“এক সময় উপকার করেছিলাম বলেই আজ ঝুনু ভাই বহিরাগত লোক দিয়ে আমাকে মারধর করিয়েছেন, এমনকি মিথ্যা মামলার আসামি বানিয়েছেন। অথচ আমার নেতা খন্দকার নাসিরুল ইসলামের নির্দেশে লিপন মিয়াকে আমাদের মামলার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। এটাই নাসিরুল ইসলামের বৈশিষ্ট্য—তিনি অন্যদের থেকে আলাদা।”

ঘটনাটি জানাজানি হলে বিএনপির সচেতন মহলে বিস্ময় ও নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। অনেক নেতা মন্তব্য করেছেন, দলের মধ্যে গ্রুপিং থাকতে পারে এবং বিশেষ পরিস্থিতিতে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটতে পারে। তবে একই দলের দুই আহত নেতাকে পাশে থাকার সময় একে উপেক্ষা করা কেবল সংকীর্ণতার পরিচয় দিচ্ছে।

স্থানীয়দের মতে, এমন আচরণ দলীয় ঐক্য ও সৌহার্দ্যকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে এবং নেতাদের জন্য সতর্কবার্তা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৫ দৈনিক বর্তমান সংবাদ