1. admin@doinikbartamansongbadbd.com : admin :
শিরোনাম: শিশুদের দিয়ে ‘কালেকশন’ নয়—মাহফিলের মর্যাদা রক্ষায় সচেতন হওয়ার আহ্বান - দৈনিক বর্তমান সংবাদ
শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৩৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ময়মনসিংহে ঘুষ কেলেঙ্কারিতে সম্পৃক্ত জেলা অফিস-বদলী হলো উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ভালুকায় সরকারি রাস্তা নষ্ট করে মাটির ব্যবসার অভিযোগ, ভোগান্তিতে এলাকাবাসী নন্দীগ্রামে জাকের পার্টির ৩৭ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে দাওয়াতী মিশন সভা ভোগান্তিতে ভালুকার কাচিনা ইউনিয়নের কাচারীঘাটা এলাকার বাসিন্দারা, কথা রাখেননি জনপ্রতিনিধিরা সুরখালি ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সদস্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় এস এম নাজমুল ইসলাম ভালুকায় নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়ন নিয়ে জনমনে প্রশ্ন, মাদকমুক্ত সমাজ গঠনের দাবিও জোরালো বটিয়াঘাটায় বৃদ্ধকে অপহরণ করে মুক্তিপণ দাবি, থানায় এজাহার সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় মৎস্য আড়ত ইজারার দাবিতে মানববন্ধন নন্দীগ্রামে প্রকাশ্যে মাদক সেবনে বাধা দেওয়ায়  সাংবাদিকের ওপর দুর্বৃত্তের হামলা নন্দীগ্রামে জামায়াতে ইসলামীর বুড়ইল ইউনিয়ন কর্মী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

শিরোনাম: শিশুদের দিয়ে ‘কালেকশন’ নয়—মাহফিলের মর্যাদা রক্ষায় সচেতন হওয়ার আহ্বান

স্টাফ রিপোর্টার আব্দুল মতিন মুন্সী
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ১৯ নভেম্বর, ২০২৫
  • ৯৫ বার পঠিত

ধর্মীয় মাহফিল আয়োজন একটি পবিত্র ও সম্মানজনক কাজ। কিন্তু সামর্থ্যের বাইরে গিয়ে আয়োজন করতে গিয়ে অনেক এলাকায় দেখা যাচ্ছে উদ্বেগজনক চিত্র—ঘরে ঘরে পাঠানো হচ্ছে ছোট ছোট বাচ্চাদের। হাতে দেওয়া হচ্ছে ছোট খাতা বা ব্যাগ, আর সেই শিশুদের বলা হচ্ছে, “মাহফিলের জন্য সাহায্য দেন, ৫–১০ টাকা দেন।”
এই দৃশ্য সাধারণ মানুষের মনে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করছে।

সামাজিকভাবে সক্রিয় ব্যক্তিরা মনে করছেন—এভাবে সাহায্য সংগ্রহ করতে গেলে শুধু মাহফিলের মর্যাদা নষ্ট হয় না, ধর্মের প্রতিও মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি নেতিবাচক হয়ে যায়। অনেকেই বলছেন, সামর্থ্য না থাকলে ছোট পরিসরে মাহফিল করা যেতে পারে, কিন্তু শিশুদের দিয়ে অর্থ সংগ্রহ করানো কোনওভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

এ বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন,
“ধর্ম মানুষের হৃদয়ের বিষয়। এভাবে হাত পেতে টাকা চাইলে ধর্মকে হেয় করা হয়। মাহফিল করতে হলে সামর্থ্যের মধ্যে করতে হবে—না হলে আয়োজন না করাই ভালো।”

ধর্মীয় ব্যক্তির মন্তব্য

স্থানীয় এক আলেম ও মসজিদের খতিব হাফেজ মাওলানা আবদুল কুদ্দুস এ বিষয়ে বলেন,
“ধর্মীয় মাহফিল মানুষের ঈমান, নীতি ও আখলাক গঠনের জন্য আয়োজন করা হয়। ছোট শিশুদের দিয়ে ঘরে ঘরে সাহায্য চাওয়া সম্পূর্ণ অনুচিত এবং ইসলামের শিষ্টাচারের বিরুদ্ধাচরণ। ধর্ম ছোট হয় না—ছোট হয় আমাদের আচরণ। সামর্থ্য না থাকলে ছোট করে আয়োজন করা উত্তম, কিন্তু মানুষের দরজায় দরজায় হাত পেতে টাকা চাওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।”

তিনি আরও বলেন,
“শিশুরা আমাদের ভবিষ্যৎ। তাদের হাতে খাতা বা ব্যাগ দিয়ে ভিক্ষাবৃত্তির মতো কাজে লাগানো ধর্মীয় ও সামাজিক দৃষ্টিকোণ থেকে অত্যন্ত নিন্দনীয়। এ ধরনের কাজ বন্ধ করতে সমাজের সবাইকে সচেতন হতে হবে।”

সচেতন মহলের দাবি

বিশ্লেষকদের মতে, ধর্মীয় আয়োজনের পবিত্রতা রক্ষায় এমন অনৈতিক প্রথা বন্ধ করা জরুরি। মাহফিল আয়োজনের আগে আয়োজকদের নিজেদের সক্ষমতা বিবেচনা করা এবং প্রয়োজনীয় পরামর্শ নেওয়া উচিত।

কমিউনিটির দাবি—
শিশুদের দিয়ে ‘কালেকশন’ নয়; ধর্মীয় অনুষ্ঠানের মর্যাদা রক্ষা করা হোক, এবং সামর্থ্যের মধ্যেই আয়োজন করা হোক মাহফিল।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৫ দৈনিক বর্তমান সংবাদ