1. admin@doinikbartamansongbadbd.com : admin :
ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের নিপীড়নের হাতিয়ার ছিল গায়েবি মামলা - দৈনিক বর্তমান সংবাদ
শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৪৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ময়মনসিংহে ঘুষ কেলেঙ্কারিতে সম্পৃক্ত জেলা অফিস-বদলী হলো উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ভালুকায় সরকারি রাস্তা নষ্ট করে মাটির ব্যবসার অভিযোগ, ভোগান্তিতে এলাকাবাসী নন্দীগ্রামে জাকের পার্টির ৩৭ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে দাওয়াতী মিশন সভা ভোগান্তিতে ভালুকার কাচিনা ইউনিয়নের কাচারীঘাটা এলাকার বাসিন্দারা, কথা রাখেননি জনপ্রতিনিধিরা সুরখালি ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সদস্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় এস এম নাজমুল ইসলাম ভালুকায় নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়ন নিয়ে জনমনে প্রশ্ন, মাদকমুক্ত সমাজ গঠনের দাবিও জোরালো বটিয়াঘাটায় বৃদ্ধকে অপহরণ করে মুক্তিপণ দাবি, থানায় এজাহার সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় মৎস্য আড়ত ইজারার দাবিতে মানববন্ধন নন্দীগ্রামে প্রকাশ্যে মাদক সেবনে বাধা দেওয়ায়  সাংবাদিকের ওপর দুর্বৃত্তের হামলা নন্দীগ্রামে জামায়াতে ইসলামীর বুড়ইল ইউনিয়ন কর্মী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের নিপীড়নের হাতিয়ার ছিল গায়েবি মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদনঃ মামুন হাসান
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ১৪ নভেম্বর, ২০২৫
  • ১২৮ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদনঃ মামুন হাসান:-

প্রথম পর্বঃ-

সবুজ-শ্যামল প্রকৃতিঘেরা ময়মনসিংহের ভালুকায় রাজনীতি ছিল সহনশীল ও শৃঙ্খল। বৈচিত্র্যময় ফসলের মাঠের মতো নানা মত-ধর্মের মানুষের বসবাস উত্তরের এই জেলায়। সামাজিক ও জাতীয় নানা ইস্যুতে চায়ের আড্ডায় উঠত বিতর্কের ঝড়।

কিন্তু ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকারের হাতে ক্ষমতা যাওয়ার পর সবকিছু ওলটপালট হয়ে যায়, শান্তির নগরী পরিণত হয় আতঙ্কের জনপদে। গ্রেপ্তারের ভয়ে ঘরে থাকতে পারতেন না ভিন্নমতের রাজনীতিকরা। গুম-খুন ও জঙ্গি নাটক সাজিয়ে অন্ধকার কুঠুরিতে আটকে রাখার ঘটনা ছিল নিত্যব্যাপার।

ফ্যাসিবাদ কায়েমের জন্য বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীকে নির্বিচারে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শত শত দিন কারাগারে কেটেছে তাদের। কেউ কেউ পুলিশের হাত থেকে বাঁচতে বহু রাত জঙ্গলে ও নদীর ধারে কাটিয়েছেন। অনেককে রাজনীতি থেকে সরিয়ে দিতে খুন করা হয়েছে, ভাঙচুর করা হয়েছে বাড়িঘর, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান। আলেম হলেই ধরে নিয়ে সাজানো হতো জঙ্গি নাটক। এভাবে দুর্বিষহ করে তোলা হয়েছিল দিনাজপুরের জনজীবন। এর সঙ্গে ছিল আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের বেপরোয়া দুর্নীতি, চাঁদাবাজি, লুটপাট ও টেন্ডারবাজি।

বিএনপি দলীয় সূত্র থেকে জানা গেছে, ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার সাড়ে ১৫ বছরে পাঁচশত নেতাকর্মীকে হত্যা করা হয়েছে। বিভিন্ন হামলায় আহত হয়েছেন অন্তত তিন সহস্রাধিক। এছাড়া বিএনপিরও অসংখ্য নেতাকর্মী আওয়ামী ক্যাডার বাহিনী ও পুলিশের হামলায় আহত হন।

বিএনপি নেতাকর্মীদের নামে মামলা হয়েছে ছয় শতাধিক। এতে আসামি করা হয়েছে ৮০ হাজারের বেশি নেতাকর্মীকে।

মামলা-হয়রানি করেই ক্ষান্ত থাকেনি আওয়ামী দুর্বৃত্তরা, দেড় দশকে বিএনপি ও জামায়াতের বহু নেতাকর্মীর বাসাবাড়ি, দোকানপাট, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানেও আক্রমণ করা হয়েছে। অনেক স্থাপনা ভাঙচুরের পাশাপাশি দখল করে নিয়েছে। তাদের অত্যাচারে বছরের পর বছর বাড়িতে থাকতে পারেননি বিরোধী দলের নেতাকর্মীরা। রাস্তাঘাটে, বনজঙ্গলে, ধানক্ষেতে, আত্মীয়-স্বজন ও বন্ধুবান্ধবের বাড়িতে কাটিয়েছেন শত শত রাত। অনেকেই চাকরি হারিয়েছেন, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের কারণে সর্বস্বান্ত হয়েছেন।

ময়মনসিংহ দক্ষিন জেলা যুবদলের,সহ কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম (বুলবুল) নামে
ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকার ৫ টি গায়েবি মামলা করেন।
মাজারুল ইসলাম বুলবুলের নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান
২০১৮ সালে, একটি শোরুম ভাঙচুর করে, ভালুকা উপজেলার বাটাজোর বাজারে।
২৫ শে জুলাই ২০২৫ইং পুলিশ আওয়ামীলীগ এসে বাড়ি ভাঙচুর করে।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৫ দৈনিক বর্তমান সংবাদ