1. admin@doinikbartamansongbadbd.com : admin :
খানপুর ইউনিয়ন পরিষদে সকাল ৯টার পরও কর্মকর্তা-কর্মচারী অনুপস্থিত, জনসেবার ক্ষেত্রে গাফিলতি—প্রশাসনের নজরদারি বাড়ানোর দাবি এলাকাবাসীর - দৈনিক বর্তমান সংবাদ
শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:২৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ময়মনসিংহে ঘুষ কেলেঙ্কারিতে সম্পৃক্ত জেলা অফিস-বদলী হলো উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ভালুকায় সরকারি রাস্তা নষ্ট করে মাটির ব্যবসার অভিযোগ, ভোগান্তিতে এলাকাবাসী নন্দীগ্রামে জাকের পার্টির ৩৭ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে দাওয়াতী মিশন সভা ভোগান্তিতে ভালুকার কাচিনা ইউনিয়নের কাচারীঘাটা এলাকার বাসিন্দারা, কথা রাখেননি জনপ্রতিনিধিরা সুরখালি ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সদস্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় এস এম নাজমুল ইসলাম ভালুকায় নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়ন নিয়ে জনমনে প্রশ্ন, মাদকমুক্ত সমাজ গঠনের দাবিও জোরালো বটিয়াঘাটায় বৃদ্ধকে অপহরণ করে মুক্তিপণ দাবি, থানায় এজাহার সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় মৎস্য আড়ত ইজারার দাবিতে মানববন্ধন নন্দীগ্রামে প্রকাশ্যে মাদক সেবনে বাধা দেওয়ায়  সাংবাদিকের ওপর দুর্বৃত্তের হামলা নন্দীগ্রামে জামায়াতে ইসলামীর বুড়ইল ইউনিয়ন কর্মী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

খানপুর ইউনিয়ন পরিষদে সকাল ৯টার পরও কর্মকর্তা-কর্মচারী অনুপস্থিত, জনসেবার ক্ষেত্রে গাফিলতি—প্রশাসনের নজরদারি বাড়ানোর দাবি এলাকাবাসীর

মোঃ ইব্রাহীম মিঞা
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৫
  • ১৪৬ বার পঠিত

দিনাজপুর প্রতিনিধি:
দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলার ৩ নম্বর খানপুর ইউনিয়ন পরিষদে সকাল ৯টা ২০ মিনিট পর্যন্ত কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারী উপস্থিত না থাকার অভিযোগ উঠেছে। সরকারি অফিসের নির্ধারিত সময় সকাল ৯টা হলেও দেরিতে উপস্থিতি বা অনুপস্থিতির কারণে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি চরমে উঠেছে বলে জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) সকাল ৯টা ২০ মিনিটে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ইউনিয়ন পরিষদের মূল কার্যালয় খোলা থাকলেও চেয়ারম্যান, সচিব ও কোনো কর্মচারী উপস্থিত নেই। বিভিন্ন কাজে আসা স্থানীয়রা দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করছিলেন। কেউ কেউ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন—
“প্রতিদিনই প্রায় একই চিত্র দেখা যায়। সাধারণ মানুষ সকাল সকাল অফিসে আসে, কিন্তু দায়িত্বপ্রাপ্তরা তখনও আসেন না। কাজ শেষে বাড়ি ফিরে যাওয়ারও তাড়াহুড়ো থাকে।”

সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী প্রতিটি ইউনিয়ন পরিষদে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত অফিস চলার কথা। কিন্তু মাঠপর্যায়ে এই সময়সূচি মানা হচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে গ্রামীণ জনসেবা, জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি, কিংবা নাগরিক সনদ গ্রহণের মতো কাজে আসা মানুষরা দুর্ভোগে পড়ছেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিরামপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) নুজহাত তাসনীম আওন বলেন,
“বিষয়টি দেখছি। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

স্থানীয় সচেতন মহল মনে করেন, সরকারি দপ্তরগুলোতে সময়ানুবর্তিতা নিশ্চিত করা গেলে জনসেবার মান অনেক উন্নত হবে। তারা আরও বলেন,
“যেখানে জনসেবা দেওয়ার কথা, সেখানে দেরিতে আসা বা অফিস ফাঁকা থাকা একেবারেই অগ্রহণযোগ্য। প্রশাসনের নিয়মিত মনিটরিং প্রয়োজন।”

উল্লেখ্য, সরকারি দপ্তরসমূহে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নির্দিষ্ট সময়ে উপস্থিত থাকা এবং দাপ্তরিক কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করা সরকারি কর্মচারী আচরণ বিধিমালা ১৯৭৯-এর আওতায় একটি বাধ্যতামূলক দায়িত্ব।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৫ দৈনিক বর্তমান সংবাদ