1. admin@doinikbartamansongbadbd.com : admin :
৫ দফা দাবিতে রাজশাহীতে মতবিনিময় সভা ও সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত - দৈনিক বর্তমান সংবাদ
শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৩৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ময়মনসিংহে ঘুষ কেলেঙ্কারিতে সম্পৃক্ত জেলা অফিস-বদলী হলো উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ভালুকায় সরকারি রাস্তা নষ্ট করে মাটির ব্যবসার অভিযোগ, ভোগান্তিতে এলাকাবাসী নন্দীগ্রামে জাকের পার্টির ৩৭ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে দাওয়াতী মিশন সভা ভোগান্তিতে ভালুকার কাচিনা ইউনিয়নের কাচারীঘাটা এলাকার বাসিন্দারা, কথা রাখেননি জনপ্রতিনিধিরা সুরখালি ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সদস্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় এস এম নাজমুল ইসলাম ভালুকায় নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়ন নিয়ে জনমনে প্রশ্ন, মাদকমুক্ত সমাজ গঠনের দাবিও জোরালো বটিয়াঘাটায় বৃদ্ধকে অপহরণ করে মুক্তিপণ দাবি, থানায় এজাহার সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় মৎস্য আড়ত ইজারার দাবিতে মানববন্ধন নন্দীগ্রামে প্রকাশ্যে মাদক সেবনে বাধা দেওয়ায়  সাংবাদিকের ওপর দুর্বৃত্তের হামলা নন্দীগ্রামে জামায়াতে ইসলামীর বুড়ইল ইউনিয়ন কর্মী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

৫ দফা দাবিতে রাজশাহীতে মতবিনিময় সভা ও সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত

এম. শাহাবুদ্দিন, রাজশাহী
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৫
  • ৮২ বার পঠিত

এম. শাহাবুদ্দিন, রাজশাহী

বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে রাজশাহী কলেজিয়েট স্কুল, রাজশাহীতে বাংলাদেশ সরকারি মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতি (বাসমাশিস) রাজশাহীর ব্যবস্থাপনায় এবং স্বতন্ত্র মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ও এন্ট্রি পদ নবম গ্রেড বাস্তবায়ন পরিষদের আয়োজনে স্বতন্ত্র মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠাসহ ৫ দফা দাবিতে এক মতবিনিময় সভা ও সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার বিকেল সাড়ে চারটায় সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন স্বতন্ত্র মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ও এন্ট্রি পদ নবম গ্রেড বাস্তবায়ন পরিষদ রাজশাহী জেলা কমিটির যুগ্ম আহবায়ক জনাব মোঃ শাহনেওয়াজ খান সিনিয়র শিক্ষক, মোহনপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ও সদস্য সচিব রাজশাহী কলেজিয়েট স্কুলের শিক্ষক জনাব শহীদুল্লাহ। রাজশাহী অঞ্চল ও জেলা বাস্তবায়ন কমিটির নেতৃবৃন্দের মধ্যে যথাক্রমে কমিটির আহবায়ক ও আঞ্চলিক উপপরিচালক, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা জনাব মো: আব্দুর রশিদ, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো: আব্দুল ওয়াহাব, রাজশাহী জেলা কমিটির আহবায়ক ও রাজশাহী সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) জনাব রহিমা আখতার জাহান, রাজশাহী কলেজিয়েট স্কুলের প্রধান শিক্ষক জনাব ড. মোসাঃ নূরজাহান বেগম, গভঃ ল্যাবরেটরী হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক ড. শাহানাজ বেগম, সরকারি প্রমথনাথ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ড. দিল মাহমুদা বেগম, সিরোইল সরকারি উচ্চ বিদালয়ের প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) বিকাশ চন্দ্র মন্ডল, হাজী মুহম্মদ মুহসিন সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আঞ্জুমান আরা খানম, রাজশাহী জেলার সবকারি ও বেসরকারি স্কুলসমূহের সম্মানিত প্রধান শিক্ষকগণ এবং অন্যন্য শিক্ষক নেতৃবৃন্দ মতবিনিময় সভ ও সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।

লিখিত বক্তব্যে বলেন, আজ আমরা আপনাদের সামনে দেশের মাধ্যমিক শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন, শিক্ষার্থীদের কল্যাণ, শিক্ষকদের দীর্ঘদিনের বঞ্চনা নিরসনকল্পে স্বতন্ত্র মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠা এবং একটি আধুনিক সময়োপযোগী পদসোপান সৃষ্টিসহ মাধ্যমিকের নানাবিধ সমস্যার সমাধান কল্পে ৫ দফা দাবি জানাতে সমবেত হয়েছি। আমাদের বিষয়গুলো আপনাদের মাধ্যমে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা সহ সংশ্লিষ্ট সকলের নিকট তুলে ধরতে আজকের সংবাদ সম্মেলন।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র জনতার অভ্যূত্থানের মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠিত জনতার সরকার বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিদ্যমান বৈষম্য নিরসনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। শিক্ষা মানুষের অন্যতম মৌলিক অধিকার। সুশাসন নিশ্চিত করার জন্য শিক্ষার গুরুত্ব অপরিসীম। শিক্ষা ব্যবস্থা সংস্কার করা সরকারের অন্যতম কাজ বলে মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা মহোদয় ইতোমধ্যে ঘোষণা করেছেন। এতে বিভিন্ন সমস্যায় জর্জরিত শিক্ষার মেরুদন্ড মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষক-কর্মকর্তাগণ আশান্বিত।

সরকারি মাধ্যমিকের প্রায় ১৫ হাজার শিক্ষকের জন্য পদোন্নতিযোগ্য পদ মাত্র ৪%। যৌক্তিক কোনো পদসোপান না থাকায় দীর্ঘ ৩২/৩৩ বছর চাকুরী করেও অধিকাংশ শিক্ষককে পদোন্নতি ছাড়াই অবসরে যেতে হয়। পদোন্নতি অনিয়মিত বিধায় বেশকিছু পদ খালি পড়ে থাকে। যা পদোন্নতি বঞ্চিতদের হতাশ করার পাশাপাশি মানসম্মত শিক্ষা বাস্তবায়নে অন্তরায় হিসেবে কাজ করে। সরকারি মাধ্যমিকে শিক্ষক-কর্মকর্তাগণ প্রাপ্য বকেয়া টাইমস্কেল, পদমর্যাদা, পদোন্নতি, পদায়ন সহ চাকুরির বিভিন্নক্ষেত্রে বৈষম্যের শিকার। বৈষম্যহীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার অংশ হিসেবে সরকারি মাধ্যমিকে বিদ্যমান বৈষম্য নিরসন জরুরী।

মাধ্যমিক শিক্ষার মান উন্নয়নে ৫ (পাঁচ) দফা দাবী বাস্তবায়নে মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা সহ সংশ্লিষ্ট সকলের সদয়

হস্তক্ষেপ কামনা করছি:

১. স্বতন্ত্র মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠা:

২. সরকারি মাধ্যমিকের সহকারী শিক্ষকের এন্ট্রিপদ ৯ম গ্রেডে উন্নীত করে ৪ (চার) স্তরীয় পদসোপান।

৩. অনতিবিলম্বে আঞ্চলিক উপপরিচালকের প্রশাসনিক এবং আর্থিক ক্ষমতা সংরক্ষণসহ মাধ্যমিকের সকল কার্যালয়ের স্বাতন্ত্র্য ও মর্যাদা রক্ষা;

৪. বিদ্যালয় ও পরিদর্শন শাখার সকল শূন্যপদে নিয়োগ, পদোন্নতি ও পদায়ন;

৫. বকেয়া সিলেকশন গ্রেড ও টাইমস্কেল এর মঞ্জুরী আদেশ প্রদান।

১. স্বতন্ত্র মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠা

শিক্ষাক্ষেত্রে মাধ্যমিক স্তর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্তর। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতায় ৯টি বিভাগীয় কার্যালয়, ৬৪টি জেলা শিক্ষা অফিস, ৫১৬টি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস, ৬৮৬টি সরকারি কলেজ, ৭০৬টি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ১০৪টি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ, ৫টি উচ্চ মাধ্যমিক টিচার্স ট্রেনিং ইনস্টিটিউট রয়েছে। বাংলাদেশ শিক্ষা তথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরো (ব্যানবেইস) ২০২৪ এর তথ্য অনুযায়ী মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ২১.২৩২টি এর মধ্যে স্কুলের সাথে কলেজ রয়েছে ১৫১৪টি। মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর সংখ্যা যথাক্রমে ২,৯৩,২৮৯ এবং ৯০,৬৩,৪২২। সারাদেশের মাধ্যমিক স্তরের অধিক সংখ্যক শিক্ষার্থী, জনবল এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দেখভাল করার জন্য মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরে মাত্র ১ জন উপপরিচালক ও ২ জন সহকারী পরিচালক আছেন। বিশাল সংখ্যক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম চালাতে গিয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর হিমসিম খাচ্ছে।
স্মারক নং-

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান মিঞার নেতৃত্বাধীন জাতীয় কমিশন-২০০৩ এর প্রতিবেদনের দ্বিতীয় অধ্যায়ের পৃষ্ঠা নং-৭৩, সুপারিশ অংশের ৪(২) এ বলা হয়েছে- “মাধ্যমিক শিক্ষার সার্বিক ব্যবস্থাপনা, তত্ত্বাবধান, প্রশাসন ও নিয়ন্ত্রণের জন্য একটি স্বতন্ত্র মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর গঠন করা কাম্য। উচ্চ শিক্ষা সংক্রান্ত বিষয়াদি অন্য অধিদপ্তর গঠন করে সেখানে ন্যস্ত করা যেতে পারে।” প্রতিবেদনের ৪(৫) এ বলা হয়েছে মাধ্যমিক শিক্ষাকে বিকেন্দ্রীকরণের জন্য ৯টি আঞ্চলিক শিক্ষা কার্যালয়ে মাধ্যমিক পর্যায়ের জন্য একটি পরিচালকের পদ সৃষ্টি করা প্রয়োজন। একইভাবে সুপারিশের ৪(৯) অংশে বলা হয়েছে-জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার পদটি আপগ্রেড করে উপপরিচালক পদ সৃষ্টি করা প্রয়োজন। অর্থাৎ পুরো মাধ্যমিক শিক্ষা ব্যবস্থার আমূল সংস্কার করে আধুনিক মানের একটি মাধ্যমিক শিক্ষা ব্যবস্থা পুনর্গঠনের অবশ্যকতা রয়েছে। জাতীয় শিক্ষা কমিশন ২০০৩ এর আলোকে শিক্ষা প্রশাসনকে পুনর্বিন্যাস করতে জাতীয় শিক্ষা নীতি ২০১০ এর পৃষ্ঠা নং ৬৪, অধ্যায় ২৭ শিক্ষা প্রশাসন অংশে বলা হয়েছে- শিক্ষা প্রশাসনে বর্তমান মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরকে দুইটি পৃথক অধিদপ্তর করে যথাক্রমে ‘মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর’ ও ‘উচ্চ শিক্ষা ও গবেষণা অধিদপ্তর’ গঠন করা হবে।

“স্বতন্ত্র মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর” প্রতিষ্ঠা করা হলে কার্যক্রমে গতিশীলতা আসবে যা বৈষম্যহীন উন্নত বাংলাদেশ গড়ার ক্ষেত্রে কার্যকর ভূমিকা রাখবে। ইতোপূর্বে মাত্র ১,২৬৪ টি কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য আলাদা ‘কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর’ ও ৯.৬৫৬ টি মাদ্রাসার জন্য আলাদা ‘মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর’ গঠিত হয়েছে। স্থবির মাধ্যমিক শিক্ষাকে গতিশীল করার লক্ষে শিক্ষামন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে শিক্ষার মানোন্নয়নের স্বার্থে ইতোপূর্বে স্বতন্ত্র মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর গঠনের জন্যে নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল যা আলোর মুখ দেখেনি। স্বাধীন বাংলাদেশের সকল জাতীয় শিক্ষানীতিতে শিক্ষা প্রশাসনে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরকে দুইটি পৃথক অধিদপ্তর যথাক্রমে ‘মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর’ এবং ‘উচ্চ শিক্ষা ও গবেষণা অধিদপ্তর’ গঠনের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে।

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন কলেজ এডুকেশন ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট (সিইডিপি) কর্তৃক আয়োজিত ‘Impact Analysis on Education Governance and Management’ শীর্ষক জাতীয় কর্মশালায় প্রাপ্ত সুপারিশের ভিত্তিতে বিয়াম ফাউন্ডেশন গবেষণা ও পরামর্শ সেবা কেন্দ্র’ (বিএফআরসিএসসি) একটি প্রতিবেদন প্রণয়ন করেন। উক্ত প্রতিবেদনে শিক্ষা প্রশাসন ব্যবস্থাপনার বর্তমান কাঠাম্যের পরিবর্তে ‘মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর’ এবং ‘উচ্চ শিক্ষা ও গবেষণা অধিদপ্তর’ হিসেবে দুটি পৃথক অধিদপ্তর সৃজন করার পরামর্শ প্রদান করা হয়।

০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৪ খ্রি. অনুষ্ঠিত সচিব সভায় মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা প্রত্যেক মন্ত্রণালয়/বিভাগকে প্রয়োজনীয় সংস্কার পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের জন্য মার্চিং অর্ডার প্রদান করায় মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ কর্তৃক গত ২৮ নভেম্বর ২০২৪ খ্রি. সময়াবন্ধ সংস্কার পরিকল্পনা দাখিল করা হয়। উল্লিখিত প্রস্তাবনাসমূহের মধ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরকে ‘মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর’ এবং উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর’- এ দু’টি অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠার কার্যক্রম ডিসেম্বর ২০২৫ এর মধ্যে সম্পন্ন করার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এছাড়া জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের জানুয়ারি ২০২৫ খ্রি’র প্রতিবেদনে বাংলাদেশের শিক্ষা সার্ভিসের সংস্কারের জন্য নিম্নরূপ বিশেষ সুপারিশ করা হয়েছে। “মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর হতে মাধ্যমিক বিভাগকে পৃথক করে আলাদা ‘মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর’ প্রতিষ্ঠা করতে হবে। মাধ্যমিক শিক্ষা অঙ্গীভূত থাকার কারণে মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষা গুরুত্ব পাচ্ছে না এবং ক্রমেই মাধ্যমিক পর্যায়ে শিক্ষার মান হ্রাস পাচেছ। তাই এটি আলাদা হওয়া গুরুত্বপূর্ণ।”

উপরিউক্ত বিষয়াদির সমাধান এবং বিশাল আকারের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তদারকিসহ বিভিন্ন কার্যক্রম চালাতে গিয়ে ‘মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর’ অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সফলতার পরিচয় দিতে পারছে না। নানাবিধ কাজের সামাল দিতে গিয়ে কাঙ্খিত লক্ষ্য অর্জন ব্যাহত হচ্ছে। তাই মাউশির কাজের গতি আনয়ন তথা পরিকল্পনা বাস্তবায়ন, মানসম্মত আধুনিক, যুগোপযোগী ও বাস্তবমুখী শিক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষে ‘স্বতন্ত্র মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর’ প্রতিষ্ঠা করা সময়ের দাবী।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৫ দৈনিক বর্তমান সংবাদ