1. admin@doinikbartamansongbadbd.com : admin :
কুড়িগ্রামের যাত্রাপুর ও পাঁচগাছিতে শতকরা ৫০ ভাগ নারী বাল্য বিয়ের শিকার হচ্ছে - দৈনিক বর্তমান সংবাদ
শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৪৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ময়মনসিংহে ঘুষ কেলেঙ্কারিতে সম্পৃক্ত জেলা অফিস-বদলী হলো উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ভালুকায় সরকারি রাস্তা নষ্ট করে মাটির ব্যবসার অভিযোগ, ভোগান্তিতে এলাকাবাসী নন্দীগ্রামে জাকের পার্টির ৩৭ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে দাওয়াতী মিশন সভা ভোগান্তিতে ভালুকার কাচিনা ইউনিয়নের কাচারীঘাটা এলাকার বাসিন্দারা, কথা রাখেননি জনপ্রতিনিধিরা সুরখালি ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সদস্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় এস এম নাজমুল ইসলাম ভালুকায় নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়ন নিয়ে জনমনে প্রশ্ন, মাদকমুক্ত সমাজ গঠনের দাবিও জোরালো বটিয়াঘাটায় বৃদ্ধকে অপহরণ করে মুক্তিপণ দাবি, থানায় এজাহার সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় মৎস্য আড়ত ইজারার দাবিতে মানববন্ধন নন্দীগ্রামে প্রকাশ্যে মাদক সেবনে বাধা দেওয়ায়  সাংবাদিকের ওপর দুর্বৃত্তের হামলা নন্দীগ্রামে জামায়াতে ইসলামীর বুড়ইল ইউনিয়ন কর্মী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

কুড়িগ্রামের যাত্রাপুর ও পাঁচগাছিতে শতকরা ৫০ ভাগ নারী বাল্য বিয়ের শিকার হচ্ছে

দৈনিক বর্তমান সংবাদ ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ১৫০ বার পঠিত

মাইনুল ইসলাম, কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধিঃ

কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার যাত্রাপুর ও পাঁচগাছি ইউনিয়নে শতকরা ৫০ ভাগ নারী বাল্য বিয়ের শিকার হচ্ছে। বন্যা দুর্গত, নদী ভাঙ্গন কবলিত যাত্রাপুর ও পাঁচগাছি ইউনিয়ন। অশিক্ষা দারিদ্রতার কারণে এই অঞ্চলের অধিকাংশ পরিবারের মেয়েদের ১২ হতে ১৩ বছর বয়সের মধ্যেই অর্থাৎ প্রাইমারি শিক্ষা জীবন শেষ করেই বিয়ের পিরিতে বসতে হচ্ছে। যাত্রাপুর ও পাঁচগাছি ইউনিয়নের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ঘুরে অনুসন্ধানে এ চিত্রই উঠে এসেছে। ২০২১ সালে প্রাইমারি পাশ করে যে সকল নারী শিক্ষার্থী মাধ্যমিক পর্যায়ে হাই স্কুলে ভর্তি হয়েছিল। ২০২৫ সালে এসে যাদের দশম শ্রেণীতে থাকার কথা কিন্তু ভর্তির পর ওই সকল নারী শিক্ষার্থীদের অর্ধেককেই এখন খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। মূলত বাল্য বিয়ের কারণেই ঝরে পড়েছে অর্ধেক নারী শিক্ষার্থী। যাত্রাপুর ইউনিয়নের যাত্রাপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ২০২১ সালে ষষ্ঠ শ্রেণিতে ১০১ জন নারী শিক্ষার্থী ভর্তি হলেও ২০২৫ সালে এসে দশম শ্রেণিতে ৪৯ জন নারী শিক্ষার্থী অবশিষ্ট রয়েছে। ৫২ জন নারী শিক্ষার্থী বাল্য বিয়ের কারণে ঝড়ে পড়েছে। পাঁচগাছি ইউনিয়নের পাঁচগাছি উচ্চ বিদ্যালয়ে ২০২১ সালে ষষ্ঠ শ্রেণিতে ২৩ জন নারী শিক্ষার্থী ভর্তি হলেও ২০২৫ সালে এসে দশম শ্রেণিতে মাত্র ১৩ জন নারী শিক্ষার্থী রয়েছে বলে জানা যায়। পাঁচগাছি উচ্চ বিদ্যালয়ে ঝড়ে পড়া নারী শিক্ষার্থী মূলত বাল্য বিয়ের কারণেই পড়ালেখা বন্ধ হয়েছে শিক্ষার্থীদের বান্ধবিরা জানায়। যাত্রাপুর ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আব্দুল গফুর জানায় , অশিক্ষা দারিদ্রতার কারণে এই অঞ্চলের অধিকাংশ পরিবারের মেয়েদের বাল্য বিয়ের শিকার হতে হচ্ছে। পাঁচগাছি ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আব্দুল বাতেন সরকার জানায়, স্থানীয় নিকাহ রেজিস্টারদের যোগসাজোসে গোপনে বাল্য বিয়ে হচ্ছে।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৫ দৈনিক বর্তমান সংবাদ