
সারোয়ার কবির ফাহাদ, জেলা প্রতিনিধি, ময়মনসিংহ।
কিছু অতি উৎসাহিত লোক সাধারণ গরিব মানুষের উপরই নজরটা বেশিই রাখেন! কারণ গরীব তো গরীবই, প্রসঙ্গ ফুটপাত নিয়ে, যারা কোটিপতি লাখ লাখ টাকার মালিক তাদের আরো চাই আরো লাগবে কিন্তু সাধারণ ফুটপাতে যারা দোকানদারি করে তারা শুধু চারটা ডাল ভাতের জন্য সকাল বিকাল রোদ-বৃষ্টি ঝড় তুফানের মাঝে বেঁচে থাকতে চায়, তাদেরও আছে সংসার মা-বাবা ভাই-বোন, একজন ফুটপাত দোকানদারের তেমন কোন চাহিদা নেই চাহিদা শুধু একটাই চারটা ডাল ভাত, অথচ যেখানে ফুটপাতে দোকানদারি করত সেখানে ঘন্টার পর ঘন্টা দাঁড়িয়ে থাকে রিক্সা মোটরসাইকেল সরকারি যানবাহন তাদের বেলায় কোন আইন ব্যবহার নেই, শুধু ফুটপাতে ওয়ালাদের উপরে আইন হবে এবং চলবে, ২০ জন আনসার দিয়েও গাঙ্গিনাপাড়ের যানজট নিরসন করতেও হিমশিম খাচ্ছে, তাহলে ফুটপাতে ওয়ালাদের দোষটা কোথায়! কাদের দ্বারা এরা নিপীড়িত হচ্ছে দিনের পর দিন, একটু জানতে চাই বিশেষ করে জেলা প্রশাসক মহোদয়ের কাছে, এমনও ফুটপাত দোকানদার আছেন যারা ঋণগ্রস্ত করে টাকা তুলে ডাল বাতের আশায় বউ বাচ্চা নিয়ে বেঁচে থাকার জন্য রাস্তায় নামে সেই দিনের টাকাটাও ঠিকমতো পরিশোধ করতে পারেনা আছে ছেলে মেয়েদের পড়াশুনার জন্য স্কুলের বেতন, বাসা ভাড়া, চিকিৎসা, কিন্তু কোনটারই প্রতিকার হচ্ছে না একমাত্র বেঁচে থাকার জন্য শেষ আশ্রয়টুকু নিমিষে শেষ করে দিল কিছু উৎসাহিত মহাজনেরা আমার কথা শুধু কি গাঙ্গিনাপাড়ের হকারেরা অবৈধ আর দুর্গাবাড়ি চরপাড়ার হকারেরা কি বৈধ। প্রশ্ন প্রশাসনের কাছে।