মামুন হাসান (বিশেষ প্রতিনিধি):বিদেশে পাঠানোর কথা বলে অর্থ গ্রহণের পর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী বিদেশে না পাঠানোর অভিযোগ উঠেছে কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলার মো. মঞ্জুর আলমের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় বগুড়ার সারিয়াকান্দি উপজেলার মো. শিহাব হোসেন ভুক্তভোগী হিসেবে অভিযোগ করেছেন।
প্রাপ্ত পরিচয়পত্রের তথ্য অনুযায়ী, মো. মঞ্জুর আলম কুষ্টিয়া জেলার ভেড়ামারা উপজেলার বাসিন্দা এবং তার পেশা ব্যবসা হিসেবে উল্লেখ রয়েছে। অন্যদিকে ভুক্তভোগী মো. শিহাব হোসেন বগুড়া জেলার সারিয়াকান্দি উপজেলার বাসিন্দা। তার নামে বাংলাদেশি পাসপোর্টও রয়েছে।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ, বিদেশে যাওয়ার আশায় মঞ্জুর আলমের মাধ্যমে প্রক্রিয়া শুরু করেন তিনি। এ সময় প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও পাসপোর্ট সংক্রান্ত কার্যক্রম সম্পন্ন করা হলেও পরবর্তীতে প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী তাকে বিদেশে পাঠানো হয়নি বলে অভিযোগ করেন শিহাব হোসেন।
তার অভিযোগ, বিদেশে পাঠানোর আশ্বাসে অর্থ নেওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে যোগাযোগ করা হলেও কাঙ্ক্ষিত সমাধান পাওয়া যাচ্ছে না। এতে তিনি আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বলে দাবি করেছেন।
বিদেশে পাঠানোর নামে প্রতারণার অভিযোগ নতুন নয়। বিভিন্ন ঘটনায় ভুক্তভোগীরা অর্থ দেওয়ার পর বিদেশে যেতে না পারা, অতিরিক্ত অর্থ দাবি কিংবা প্রতিশ্রুত চাকরি না পাওয়ার অভিযোগ করে থাকেন। সাম্প্রতিক একটি ঘটনায় বিদেশে পাঠানোর কথা বলে অর্থ নেওয়ার অভিযোগে ভুক্তভোগী থানায় লিখিত অভিযোগও করেছিলেন। �
তবে মো. মঞ্জুর আলমের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের সত্যতা এখনো আদালত বা সংশ্লিষ্ট তদন্তকারী কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে—এমন তথ্য পাওয়া যায়নি। তাই অভিযোগের বিষয়ে তার বক্তব্য নেওয়া এবং টাকা লেনদেনের প্রমাণ, চুক্তিপত্র, ভিসা/নিয়োগপত্র ও থানায় করা অভিযোগ যাচাই করা জরুরি।
ভুক্তভোগী ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, তার দেওয়া অর্থ ফেরত এবং অভিযোগ সত্য হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।