বাংলাদেশে ঋণগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা বাড়ছে। আর এই ঋণের টাকা পরিশোধ না করতে পেরে আত্মহত্যার সংখ্যাও উদ্বেগজনক।এই ঋণের ফাঁদে শুধু নিম্নবিত্ত নয়, নিম্ন মধ্যবিত্ত এবং মধ্যবিত্তরাও আটকা পড়ে যাচ্ছে। প্রচলিত ব্যাংকের সুদ হার কম হলেও সেখান থেকে ঋণ পাওয়া সহজ নয়। ফলে তার উচ্চ সূদ হারে অপ্রচলিত, ব্যক্তিখাত এবং এনজিও থেকে ঋণ নিচ্ছেন। ওই ঋণের সুদ আর কিস্তি পরিশোধ করতে গিয়ে এখন তারা দিশেহারা।
গত ৪-জুলাই ২০২৩ ইং ময়মনসিংহ জেলা,ভালুকা উপজেলা,৯ নং কাচিনা ইউনিয়ন, ৪ নং ওয়ার্ড কাচারী ঘাটা গ্রামের মোঃ শামছুল আলমের ছেলে মোঃ মামুন হাসান (২৭)।তিনি ব্যবসা করার জন্য বিভিন্ন ব্যক্তি এবং এনজিওর কাছ থেকে মোট ১৫ লাখ টাকা ঋণ নিয়েছিলেন।মোবাইল ফোন ও মৎস্য চাষ ব্যবসায় এই অর্থ বিনিয়োগ করেছিলেন।
কিন্তু যা ব্যবসা হতো তার চেয়ে সুদের হার অনেক বেশি। এবং আওয়ামী লীগের-সন্ত্রাসী বাহিনী কে মোটা অংকের চাঁদা ও মাঠ পর্যায়ে বাকী জন্য। শেষ পর্যন্ত সুদ ও কিস্তির টাকা পরিশোধে ব্যর্থ হন। সংসার চালানোও অসম্ভব হয়ে পড়েছে।ঋণ পরিশোধ চলমান থাকলেও এনজিও চেক ডিজঅনার মামলা করেন।
এনজিও কিস্তি চলমান আছে,বেশির ভাগ টাকা পরিশোধ করেন তিনি, কিন্ত এনজিও মিথ্যা মামলা করে। ভুক্তভোগী মোঃ মামুন হাসান (২৭) যে টাকা পরিশোধ করছেন এনজিও -কর্তৃপক্ষ তা অস্বীকার করেন।এবং- এনজিও থেকে ১ম যে টাকা ঋণ গ্রহন করেন।চক্রবর্তী সুূদ এবং আসল টাকা ব্যাংক চেকে বসিয়ে চেক ডিজঅনার মামলা করেন এনজিও কর্তৃপক্ষ।
মামুন হাসান, কান্না জড়িত কন্ঠে ঃ-দৈনিক বর্তমান সংবাদকে বলেন।
আমি ব্যবসার পাশাপাশি, আমি একজন গণমাধ্যম কর্মী ছিলাম,জাতীয় "দৈনিক "অগ্রযাত্রা প্রতিদিন"সহ বেশ কিছু জাতীয় পত্রিকায়,ময়মনসিংহ জেলা প্রতিনিধি এবং ব্যুরো প্রধান হিসাবে কর্মরত ছিলাম। এখন আমি ফেরারি আসামি।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে আকুল আবেদন করেন:-এনজিও মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার: এনজিও কর্তৃক দায়ের করা মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা দ্রুত প্রত্যাহার করার জন্য অনুরোধ করেন।
ফাঁকা চেকের অপব্যবহার বন্ধঃ-
ঋণের জামানত হিসেবে রাখা ফাঁকা চেকে মোটা অংকের টাকা বসিয়ে প্রতারণামূলক চেক ডিজঅনার মামলা বন্ধ করা।
আমানত ফেরতঃ-এনজিওতে জমাকৃত অর্থ (সঞ্চয়) ফেরত প্রদানের ব্যবস্থা করা।
প্রশাসনের হস্তক্ষেপ:অবৈধ এনজিওর বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ।
মামলা ও আইনি হয়রানি: অনেক ক্ষেত্রে কিস্তি পরিশোধ চলমান থাকা সত্ত্বেও ঋণের বাকি টাকা দ্রুত আদায়ের জন্য এনজিও কর্তৃপক্ষ গ্রাহকের বিরুদ্ধে চেক জালিয়াতি বা অন্য হয়রানিমূলক মামলা করছে। এমনকি ঋণের টাকা পুরোপুরি পরিশোধ করতে না পারায় অনেক সময় দরিদ্র ঋণগ্রহীতাদের কারাদণ্ড হওয়ার ঘটনাও ঘটছে।
আইনি প্রেক্ষাপট:উচ্চ আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী, ঋণের বিপরীতে নিরাপত্তা জামানত বা ব্ল্যাংক চেক রেখে পরে তা দিয়ে মামলা করা অবৈধ। ভুক্তভোগীরা এই নির্দেশনা মেনে এনজিওর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।