1. admin@doinikbartamansongbadbd.com : admin :
সালথায় নদীর জায়গা দখল করে স্থাপনা নির্মাণ, সংকটে কুমার নদী - দৈনিক বর্তমান সংবাদ
বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:৩৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বাঘায় রাজনীতি মানেই কেবল ক্ষমতা নয়, প্রমাণ করে চলেছেন যুবদল কর্মী মিজানুর রহমান সুমন এক হাতে লাঠি, অন্য হাতে ডালপালার ঝাড়ু—এক যুগের বেশি সময় ধরে কবরস্থানের নীরব সেবক অ্যাডভোকেট মওলা বক্স তারেক রহমানের ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির ধারাবাহিকতায় বিরামপুরে ছাত্রদলের বৃক্ষরোপণ ত্রিশাল থানার এসআই নাহিদের বিরুদ্ধে অপহরণ ও চাঁদা দাবির অভিযোগ, আদালতের নির্দেশে মামলা বিশ্ব শিক্ষক দিবসে বিরামপুরে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা পরিকল্পিত সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে ত্রিশালে শ্রমিক দলের বিক্ষোভ মিছিলও সমাবেশ সৌদি আরবের দাম্মাম থেকে ২০ দিন ধরে নিখোঁজ মোহাম্মদ রাহেল খালেদা জিয়া স্মৃতি গোল্ডকাপের উদ্বোধনে উঠল কাটলার খেলার মাঠের দাবি বিরামপুরে খালেদা জিয়া স্মৃতি গোল্ডকাপ উদ্বোধন, খালেদা জিয়ার চরিত্রে অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী মারজুক সিভিল সার্জন ডা. মোঃ গোলাম রসুল রাখির উদ্বোধনে নবাবগঞ্জে চালু সিজারিয়ান অপারেশন, প্রথম দুই প্রসূতির সফল অস্ত্রোপচার

সালথায় নদীর জায়গা দখল করে স্থাপনা নির্মাণ, সংকটে কুমার নদী

মোঃ ইলিয়াছ খান ফরিদপুর জেলা প্রতিনিধি :
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ১৪৩ বার পঠিত

ফরিদপুরে সালথা উপজেলার কুমার নদীর জায়গা দখল করে পাকা ভবন নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। এতে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি ও পরিবেশ ও জনস্বার্থ মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে। আজ বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) দুপুরে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার গট্টি ইউনিয়নের বড়দিয়া গ্রেমে স্বরূপদিয়া – বড়দিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে কুমার নদীর জায়গা ভরাট করে স্থানীয় ধলা ফকিরের ছেলে জিয়া ফকির (৫০) নামে এক ব্যক্তি,একটি পাকা স্থাপনার ভিত্তি নির্মাণ করেছিলেন। ঘটস্তালে ৮- থেকে ১০ জন শ্রমিক আজ করছিলেন। নদীর বুক ভরাট করে ইট, বালু ও সিমেন্টের কাজ করা হচ্ছে। স্থানীয় জানান, একসময় কুমার নদী ছিল এই অঞ্চলের প্রধান জলাধার।‌ প্রতি বছর বৃষ্টির মৌসুমে নদীর পানি কৃষি জমিতে পলি এনে উর্বরতা বাড়াতো। কিন্তুু দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ দখল ও ভরাটের ফলে নদী ক্রমেই সংকুচিত হয়ে পড়েছে। এতে বর্ষাকালে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। এবং শুষ্ক মৌসুমে নদী প্রায় মৃত খালে পরিণত হচ্ছে।দখল অব্যাহত থাকলে আরো ভয়াবহ পরিবেশ গত বিপর্যয়ের আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে নির্মাণ কারী জিয়া ফকির বলেন,তহশিলদার অফিস থেকে লোক এসে বন্ধ করে বলেন, আমি কাজ বন্ধও করিবনা, পরে স্থানীয় প্রথামিক বিদ্যালয়ের এক জন শিক্ষাক এসে জানান, ইউএনও মহোদয়ের আছ থেকে অনুমতি নেওয়া হয়েছে।তাই কাজ করতেছি।
এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম খান বলেন, এবিষয়ে আমার সঙ্গে কেউ কোন কথা বলেনি। আমি তাকে চিনিও না ওই বেক্তি মিথ্যা কথা বলে আমার নামে। বিষয়টি এই মাত্র আপনাদের মাধ্যমে আমি জানতে পারলাম। দূরতো সহকারী কমিশনার (ভূমি) কে অবহিত করা হয়েছে।

সালথা উপজেলা সহকারী কমিশনার ( ভূমি) মোঃ মামুন সরকার বলেন, নদীর মধ্যে কোনো ভাবেই ভবন নির্মাণের সুযোগ নেই।এটি সম্পূর্ণ বেআইনি, বিষয়টি তদন্ত করে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

স্থানীয় সচেতন মহল অবিলম্বে স্থাপনা উচ্ছেদ করে কুমার নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ফিরিয়ে আনার জন্য প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপের দাবি করেছেন স্থানীয় সাধারণ জনগণ।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৫ দৈনিক বর্তমান সংবাদ