কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলা সদর ইউনিয়নের দেবীচরণ এলাকায় জমি সংক্রান্ত বিরোধে একই পরিবারের স্বামী স্ত্রীকে মারপিট করে রক্তাক্ত জখম, বাদীর বসতবাড়ি ভাঙচুর ও মালামাল চুরির অভিযোগ উঠেছে । হামলা মারপিটের ঘটনায় দেবীচরণ এলাকার বাসিন্দা সেকেন্দার আলীর পুত্র দিনমজুর মমিনুল ইসলাম থানায় অভিযোগ করলে পুলিশ ঘটনা স্থলে গিয়ে বিবাদীদের কাছ থেকে গুরুতর আহত মমিনুল কে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য রাজারহাট থানা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ ভর্তি করে ।
খোঁজখবর নিয়ে জানা গেছে, কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলা সদর ইউনিয়নের দেবীচরণ এলাকার বাসিন্দা সেকেন্দার আলীর পুত্র দিনমজুর মমিনুল ইসলামের সাথে একই এলাকার বাসিন্দা বিবাদী সিরাজুল ইসলাম, আব্দুল হাই, আবু বক্কর , আকবর আলি, রফিকুল ইসলাম, লাকি বেগম, আরিফা বেগম, ও লিটন মিয়া বিবাদীগণের সাথে দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল । ইতোমধ্যে জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে বাদী ও বিবাদীদের মধ্যে আদালতে একাধিক মামলাও চলমান আছে । এরকম অবস্থায় বিবাদীপক্ষ পেশী শক্তির বলে দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে পূর্ব পরিকল্পনা মতে হাতে লাঠি, ছোঁড়া , কুড়াল হাতুড়ি, দা , সাবল ইত্যাদি অস্ত্র নিয়ে ১৮ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় অতর্কিত বাদি দিনমজুর মমিনুল ইসলামের বসত বাড়িতে হামলা চালায় । দিনমজুর মমিনুল ইসলাম কিছু বুঝে ওঠার আগেই তাকে ও তার স্ত্রী হাসিনা বেগমকে বিবাদীরা মারপিট করে আহত করে এবং ঘরের মালামাল লুটপাট চালায় । বিবাদীরা টেনে হেঁচড়ে মমিনুল ইসলামকে তার বসতবাড়ি থেকে বের করে নিয়ে বেধড়ক মারপিট করে রক্তাক্ত জখম করে । খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ বাদী মমিনুল ও তার স্ত্রী হাসিনা বেগমকে উদ্ধার করে রাজারহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ চিকিৎসার জন্য ভর্তি করায় । পরে গুরুতর আহত মমিনুলের উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এ ঘটনায় বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন কুড়িগ্রাম জেলা আঞ্চলিক শাখার সভাপতি মিনহাজুল ইসলাম মিলনের নেতৃত্বে একটি মানবাধিকার টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।