1. admin@doinikbartamansongbadbd.com : admin :
সালথায় উৎসবমুখর পরিবেশে হালি পেঁয়াজের চারা রোপন চলছে - দৈনিক বর্তমান সংবাদ
শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:১৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বাঘায় রাজনীতি মানেই কেবল ক্ষমতা নয়, প্রমাণ করে চলেছেন যুবদল কর্মী মিজানুর রহমান সুমন এক হাতে লাঠি, অন্য হাতে ডালপালার ঝাড়ু—এক যুগের বেশি সময় ধরে কবরস্থানের নীরব সেবক অ্যাডভোকেট মওলা বক্স তারেক রহমানের ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির ধারাবাহিকতায় বিরামপুরে ছাত্রদলের বৃক্ষরোপণ ত্রিশাল থানার এসআই নাহিদের বিরুদ্ধে অপহরণ ও চাঁদা দাবির অভিযোগ, আদালতের নির্দেশে মামলা বিশ্ব শিক্ষক দিবসে বিরামপুরে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা পরিকল্পিত সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে ত্রিশালে শ্রমিক দলের বিক্ষোভ মিছিলও সমাবেশ সৌদি আরবের দাম্মাম থেকে ২০ দিন ধরে নিখোঁজ মোহাম্মদ রাহেল খালেদা জিয়া স্মৃতি গোল্ডকাপের উদ্বোধনে উঠল কাটলার খেলার মাঠের দাবি বিরামপুরে খালেদা জিয়া স্মৃতি গোল্ডকাপ উদ্বোধন, খালেদা জিয়ার চরিত্রে অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী মারজুক সিভিল সার্জন ডা. মোঃ গোলাম রসুল রাখির উদ্বোধনে নবাবগঞ্জে চালু সিজারিয়ান অপারেশন, প্রথম দুই প্রসূতির সফল অস্ত্রোপচার

সালথায় উৎসবমুখর পরিবেশে হালি পেঁয়াজের চারা রোপন চলছে

মোঃ ইলিয়াছ খান ফরিদপুর জেলা প্রতিনিধি :
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ১০৬ বার পঠিত

পেঁয়াজের রাজধানী খ্যাত ফরিদপুরে সালথায় হালি পেঁয়াজে রোপনের ধুম পড়েছে। এখানকার কৃষকদের প্রধান অর্থকারী মসলা জাতীয় ফসল পিঁয়াজ। এর চাষ করে বছরের অর্থনৈতিক চাহিদা মিটিয়ে থাকেন তারা। যে কারণে তীব্র শীত আর ঘন কুয়াশা উপেক্ষা করে প্রতিদিন খুব সকালে মাঠে নামেন কৃষকেরা। সবগুলো জমিতে ই দল বেঁধে পেঁয়াজ উৎপাদনের কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকেরা মোটকথা দম ফেলানোর মত সময় পাচ্ছেন না কৃষকেরা।
সংশ্লিষ্ট কৃষি অফিসার সূত্রে জানা গিয়েছে, চলতি মৌসুমে সালথা উপজেলায় ১২০০ হাজার ৩০০ হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। ফরিদপুর জেলার মধ্যে সালথায় বেশি হালি পেঁয়াজ চাষ হয়ে থাকে। তবে গত বছর উৎপাদিত পেঁয়াজের আশানুরূপ দাম না পাওয়া কৃষকরা এবার অন্য ফসল আবাদ করছেন বলে জানা গেছে। সর জমিনে উপজেলার অনেক জায়গায় গিয়ে দেখা যায় ঠান্ডা কুয়াশা কে উপেক্ষা করে খুব সকালে একটা জমিতে দু একজন করে শ্রমিক ছোট হাত নাঙ্গল দিয়ে জমি ফোড়া মাটির ফাঁক দিয়ে দিচ্ছেন আর ২৫ – ৩০ থেকে জনের একদল শ্রমিক সারিবদ্ধ ভাবে বসে সেখানে পিঁয়াজের চারা রোপন করছেন। অন্যদিকে আরো এক দল শ্রমিক পেঁয়াজের চারা (হালি) উত্তোলন করে এনে জমিতে কর্মরত শ্রমিকদের হাতে ধরিয়ে দিচ্ছেন। এরপর জমিতে চারা রোপনের কাজ শেষ হবার সঙ্গে সঙ্গেই শ্যালো মেশিন দিয়ে জমিতে সেচ ও সার – ঔষধ ছিটিয়ে দেয়া হচ্ছে। এভাবেই চলছে পুরো এলাকায় পেঁয়াজ আমাদের কাজ। সালথা উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের নটখোলা গ্রামের হারুন ঠাকুর বলেন, এবার আমি ১৩ কেজি পেঁয়াজের বীর্য রোপন করেছিলাম। সেখান থেকে যে তারা উৎপাদিত হয়েছে, তা দিয়ে আমি ১৩ থেকে ১৪ বিঘা জমিতে হালি পেঁয়াজ রোপন করেছি। প্রতি বিঘা জমিতে ২০- ২৫ থেকে হাজার টাকা মত খরচ হচ্ছে। কিন্তু বাজারে পেঁয়াজের যে দাম, এই দাম চলমান থাকলে পেঁয়াজ আবাদ করে আমাদের লোকশান গুনতে হবে। আশা করি এবার পেঁয়াজের ফলন ও দাম ভালো পাবো।

উপজেলার আরেক কৃষক ফুকরা গ্রামের মোঃ বিলাল মাতুব্বর বলেন, আমাদের এলাকায় বেশিরভাগ মানুষ পাটও পেঁয়াজের ওপর নির্ভরশীল। এই দুটি ফসল ভালো হলে সারা বছর ভালো থাকি, আর খারাপ হলে আমরাও খারাপ থাক। গত বছর পেঁয়াজ আবাদ করে লোকশান হয়েছে আমাদের। তারপরেও এবার ঝুঁকি নিয়ে হালি পেঁয়াজ চাষ করছি।

সালথা উপজেলার কৃষি অফিসার কৃষিবিদ সুদর্শন শিকদার বলেন, সালথা উপজেলা পেঁয়াজের জন্য বিখ্যাত। এই উপজেলায় এ বছর পেঁয়াজ আমাদের লক্ষ্য মাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১২০০০ হেক্টর। ধারণা করা হচ্ছে লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম করবে। বর্তমানে চলছে পেঁয়াজের হালি রোপনের কাজ, আমরা প্রতিনিয়ত চাষীদের সব ধরনের পরামর্শ দিয়ে আসছি এবং ভবিষ্যতে ও এ ধারা অব্যাহত থাকবে।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৫ দৈনিক বর্তমান সংবাদ