1. admin@doinikbartamansongbadbd.com : admin :
হাসপাতালে দলীয় সংকীর্ণতা: আহত নেতা দেখে অন্যকে উপেক্ষা, বিস্মিত বিএনপি মহল - দৈনিক বর্তমান সংবাদ
শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০২:০৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বাঘায় রাজনীতি মানেই কেবল ক্ষমতা নয়, প্রমাণ করে চলেছেন যুবদল কর্মী মিজানুর রহমান সুমন এক হাতে লাঠি, অন্য হাতে ডালপালার ঝাড়ু—এক যুগের বেশি সময় ধরে কবরস্থানের নীরব সেবক অ্যাডভোকেট মওলা বক্স তারেক রহমানের ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির ধারাবাহিকতায় বিরামপুরে ছাত্রদলের বৃক্ষরোপণ ত্রিশাল থানার এসআই নাহিদের বিরুদ্ধে অপহরণ ও চাঁদা দাবির অভিযোগ, আদালতের নির্দেশে মামলা বিশ্ব শিক্ষক দিবসে বিরামপুরে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা পরিকল্পিত সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে ত্রিশালে শ্রমিক দলের বিক্ষোভ মিছিলও সমাবেশ সৌদি আরবের দাম্মাম থেকে ২০ দিন ধরে নিখোঁজ মোহাম্মদ রাহেল খালেদা জিয়া স্মৃতি গোল্ডকাপের উদ্বোধনে উঠল কাটলার খেলার মাঠের দাবি বিরামপুরে খালেদা জিয়া স্মৃতি গোল্ডকাপ উদ্বোধন, খালেদা জিয়ার চরিত্রে অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী মারজুক সিভিল সার্জন ডা. মোঃ গোলাম রসুল রাখির উদ্বোধনে নবাবগঞ্জে চালু সিজারিয়ান অপারেশন, প্রথম দুই প্রসূতির সফল অস্ত্রোপচার

হাসপাতালে দলীয় সংকীর্ণতা: আহত নেতা দেখে অন্যকে উপেক্ষা, বিস্মিত বিএনপি মহল

স্টাফ রিপোর্টার: আব্দুল মতিন মুন্সী
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ১৯ নভেম্বর, ২০২৫
  • ২২৫ বার পঠিত

ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে ৭ নভেম্বর বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনায় উভয় পক্ষের একাধিক নেতাকর্মী আহত হলেও গুরুতর আহত ছিলেন দু’জন—বোয়ালমারী উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক ও উপজেলা বিএনপির নবগঠিত কমিটির সহ-সভাপতি মিজানুর রহমান লিপন মিয়া, এবং বোয়ালমারী পৌর বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক লিয়াকত হোসেন। দু’জনই একই হাসপাতালে পাশাপাশি শয্যায় চিকিৎসাধীন ছিলেন।

এই পরিস্থিতিতে সাবেক এমপি খন্দকার নাসিরুল ইসলাম তার সমর্থক লিয়াকতকে দেখতে গিয়ে প্রতিপক্ষ গ্রুপের লিপন মিয়ার সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন এবং দীর্ঘ সময় তার শয্যা পাশে অবস্থান করে খোঁজখবর নেন। এই মানবিক দৃষ্টান্ত হাসপাতাল ও বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে ইতিবাচক বার্তা ছড়িয়ে দেয়।

অন্যদিকে, উপজেলা বিএনপির নবনির্বাচিত সহসভাপতি শামসুদ্দিন মিয়া ঝুনু তার সমর্থক লিপন মিয়াকে দেখতে হাসপাতালে গিয়েও পাশের বেডে থাকা প্রতিপক্ষ লিয়াকত হোসেনের দিকে একবারও তাকাননি। এ ঘটনায় লিয়াকত হোসেন বিস্ময় ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন।

হাসপাতালের শয্যায় শুয়ে লিয়াকত হোসেন বলেন,
“৫ আগস্টের আগে ঝুনু ভাই একদিন থানায় আটক ছিলেন। দুপুর ১২টা নাগাদ তিনি সেখানে থাকলেও কেউ তাকে দেখতে যায়নি। তখন আমি আদালতের হুলিয়া থাকা সত্ত্বেও গিয়ে তাকে দেখেছি এবং খাবারের ব্যবস্থা করেছি। কিন্তু আজ তিনি হাসপাতালে এসে আমাকে একবারও দেখেননি—এটি চরম অসৌজন্যমূলক এবং কষ্টদায়ক।”

তিনি আরও বলেন,
“এক সময় উপকার করেছিলাম বলেই আজ ঝুনু ভাই বহিরাগত লোক দিয়ে আমাকে মারধর করিয়েছেন, এমনকি মিথ্যা মামলার আসামি বানিয়েছেন। অথচ আমার নেতা খন্দকার নাসিরুল ইসলামের নির্দেশে লিপন মিয়াকে আমাদের মামলার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। এটাই নাসিরুল ইসলামের বৈশিষ্ট্য—তিনি অন্যদের থেকে আলাদা।”

ঘটনাটি জানাজানি হলে বিএনপির সচেতন মহলে বিস্ময় ও নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। অনেক নেতা মন্তব্য করেছেন, দলের মধ্যে গ্রুপিং থাকতে পারে এবং বিশেষ পরিস্থিতিতে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটতে পারে। তবে একই দলের দুই আহত নেতাকে পাশে থাকার সময় একে উপেক্ষা করা কেবল সংকীর্ণতার পরিচয় দিচ্ছে।

স্থানীয়দের মতে, এমন আচরণ দলীয় ঐক্য ও সৌহার্দ্যকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে এবং নেতাদের জন্য সতর্কবার্তা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৫ দৈনিক বর্তমান সংবাদ