
ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে ৭ নভেম্বর উপলক্ষে স্থানীয় বিএনপির দুই গ্রুপ—ফরিদপুর-১ আসনের মনোনয়নপ্রত্যাশী খন্দকার নাসিরুল ইসলাম নাসির এবং উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি শামসুদ্দিন মিয়া ঝুনু সমর্থকদের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত চলা এ সহিংসতায় পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
এ ঘটনায় প্রায় ২০ জন মারাত্মক আহত হয়।
ঘটনার পর বোয়ালমারী থানায় বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে দুটি মামলা দায়ের করা হয়। মামলায় খন্দকার নাসির, শামসুদ্দিন মিয়া ঝুনুসহ বহু নেতাকর্মীর নাম রয়েছে। তবে অভিযোগ—মামলা হওয়ার পরও পুলিশ এখন পর্যন্ত একজন আসামিকেও গ্রেপ্তার করেনি।
বরং মামলার প্রধান আসামি শামসুদ্দিন মিয়া ঝুনু সম্প্রতি ফরিদপুরে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সঙ্গে প্রকাশ্যে দেখা করেছেন। সেই ছবি তিনি নিজেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করেছেন।
এছাড়া মামলার অন্যান্য আসামিরাও এলাকায় বিনা বাধায় চলাফেরা করছেন। ইউনিয়ন পরিষদের যেসব চেয়ারম্যান মামলার আসামি, তারাও প্রতিদিন অফিস করছেন এবং স্বাভাবিক রাজনৈতিক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ—
“সাধারণ মানুষ সামান্য কারণে পুলিশের ভয়ে ঘর থেকে বেরোতে ভয় পায়, আর বিস্ফোরক মামলার আসামিরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে!”
এ নিয়ে বোয়ালমারীজুড়ে আইনের শাসন নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠছে।
অনেকে মনে করেন, রাজনৈতিক পরিচয়ের প্রভাবে মামলার আসামিরা অদৃশ্য সুরক্ষা পাচ্ছেন।
ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ও স্থানীয়দের দাবি—
প্রকৃত আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তার।
নিরপেক্ষ তদন্ত।
এলাকাজুড়ে শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।