1. admin@doinikbartamansongbadbd.com : admin :
খানপুর ইউনিয়ন পরিষদে সকাল ৯টার পরও কর্মকর্তা-কর্মচারী অনুপস্থিত - দৈনিক বর্তমান সংবাদ
শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ১২:২২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বাঘায় রাজনীতি মানেই কেবল ক্ষমতা নয়, প্রমাণ করে চলেছেন যুবদল কর্মী মিজানুর রহমান সুমন এক হাতে লাঠি, অন্য হাতে ডালপালার ঝাড়ু—এক যুগের বেশি সময় ধরে কবরস্থানের নীরব সেবক অ্যাডভোকেট মওলা বক্স তারেক রহমানের ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির ধারাবাহিকতায় বিরামপুরে ছাত্রদলের বৃক্ষরোপণ ত্রিশাল থানার এসআই নাহিদের বিরুদ্ধে অপহরণ ও চাঁদা দাবির অভিযোগ, আদালতের নির্দেশে মামলা বিশ্ব শিক্ষক দিবসে বিরামপুরে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা পরিকল্পিত সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে ত্রিশালে শ্রমিক দলের বিক্ষোভ মিছিলও সমাবেশ সৌদি আরবের দাম্মাম থেকে ২০ দিন ধরে নিখোঁজ মোহাম্মদ রাহেল খালেদা জিয়া স্মৃতি গোল্ডকাপের উদ্বোধনে উঠল কাটলার খেলার মাঠের দাবি বিরামপুরে খালেদা জিয়া স্মৃতি গোল্ডকাপ উদ্বোধন, খালেদা জিয়ার চরিত্রে অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী মারজুক সিভিল সার্জন ডা. মোঃ গোলাম রসুল রাখির উদ্বোধনে নবাবগঞ্জে চালু সিজারিয়ান অপারেশন, প্রথম দুই প্রসূতির সফল অস্ত্রোপচার

খানপুর ইউনিয়ন পরিষদে সকাল ৯টার পরও কর্মকর্তা-কর্মচারী অনুপস্থিত

মোঃ ইব্রাহীম মিঞা
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৫
  • ৬১ বার পঠিত

জনসেবার ক্ষেত্রে গাফিলতি—প্রশাসনের নজরদারি বাড়ানোর দাবি এলাকাবাসীর

মোঃ ইব্রাহীম মিঞা, দিনাজপুর প্রতিনিধি:

দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলার ৩ নম্বর খানপুর ইউনিয়ন পরিষদে সকাল ৯টা ২০ মিনিট পর্যন্ত কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারী উপস্থিত না থাকার অভিযোগ উঠেছে। সরকারি অফিসের নির্ধারিত সময় সকাল ৯টা হলেও দেরিতে উপস্থিতি বা অনুপস্থিতির কারণে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি চরমে উঠেছে বলে জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) সকাল ৯টা ২০ মিনিটে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ইউনিয়ন পরিষদের মূল কার্যালয় খোলা থাকলেও চেয়ারম্যান, সচিব ও কোনো কর্মচারী উপস্থিত নেই। বিভিন্ন কাজে আসা স্থানীয়রা দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করছিলেন। কেউ কেউ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন—
“প্রতিদিনই প্রায় একই চিত্র দেখা যায়। সাধারণ মানুষ সকাল সকাল অফিসে আসে, কিন্তু দায়িত্বপ্রাপ্তরা তখনও আসেন না। কাজ শেষে বাড়ি ফিরে যাওয়ারও তাড়াহুড়ো থাকে।”

সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী প্রতিটি ইউনিয়ন পরিষদে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত অফিস চলার কথা। কিন্তু মাঠপর্যায়ে এই সময়সূচি মানা হচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে গ্রামীণ জনসেবা, জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি, কিংবা নাগরিক সনদ গ্রহণের মতো কাজে আসা মানুষরা দুর্ভোগে পড়ছেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিরামপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) নুজহাত তাসনীম আওন বলেন,
“বিষয়টি দেখছি। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

স্থানীয় সচেতন মহল মনে করেন, সরকারি দপ্তরগুলোতে সময়ানুবর্তিতা নিশ্চিত করা গেলে জনসেবার মান অনেক উন্নত হবে। তারা আরও বলেন,
“যেখানে জনসেবা দেওয়ার কথা, সেখানে দেরিতে আসা বা অফিস ফাঁকা থাকা একেবারেই অগ্রহণযোগ্য। প্রশাসনের নিয়মিত মনিটরিং প্রয়োজন।”

উল্লেখ্য, সরকারি দপ্তরসমূহে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নির্দিষ্ট সময়ে উপস্থিত থাকা এবং দাপ্তরিক কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করা সরকারি কর্মচারী আচরণ বিধিমালা ১৯৭৯-এর আওতায় একটি বাধ্যতামূলক দায়িত্ব।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৫ দৈনিক বর্তমান সংবাদ