প্রার্থীতা ঘোষণার পরদিন বিএনপি সাধারন সম্পাদকের পক্ষে শক্তিশালী শোডাউন
মোঃ জোনায়েদ হোসেন জুয়েল
ষ্ট্যাফ রিপোর্টার,কিশোরগঞ্জ
কিশোরগঞ্জ, ১৬ অক্টোবর ২০২৫:
কিশোরগঞ্জ-১ (কিশোরগঞ্জ-হোসেনপুর) আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. মাজহারুল ইসলামের প্রার্থীতা ঘোষণার পরদিনই কিশোরগঞ্জ শহরে অনুষ্ঠিত হয়েছে বিএনপির এক শক্তিশালী শোডাউন।
বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) বিকেলে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে এই বিশাল মিছিলটি জেলা বিএনপির কার্যালয়ের সামনে গিয়ে সমাবেশের মধ্য দিয়ে শেষ হয়।
মিছিলে জেলা বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, শ্রমিক দল, কৃষকদলসহ বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের শত শত নেতাকর্মী অংশ নেন। পুরো শহরজুড়ে “গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের লড়াই” স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রার্থীতা ঘোষণার পর থেকেই কিশোরগঞ্জ ও হোসেনপুরের বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা ও উৎসাহের সৃষ্টি হয়েছে। দীর্ঘ সময় পর বিএনপির ব্যানারে এমন জনসমাগম স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
মিছিলে জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি অধ্যক্ষ মো. হাবিবুর রহমান, সহ-সভাপতি মো. আমিরুজ্জামান ও মো. ইসমাইল হোসেন মধু, সাংগঠনিক সম্পাদক হাজী ইসরাফিল মিয়া, যুবদল সভাপতি খসরুজ্জামান শরীফ, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মাসুদ সুমন, শ্রমিক দল সাধারণ সম্পাদক মো. দিদারুল হক, কারা নির্যাতিত নেতা খায়রুল ইসলাম, সাবেক ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক ছাত্রদল নেতা মারুফসহ কিশোরগঞ্জ ও হোসেনপুর উপজেলা বিএনপির শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
মিছিলে নেতৃত্ব দেওয়া মাজহারুল ইসলাম বলেন,
আজকের এই গণজোয়ারই প্রমাণ করে—কিশোরগঞ্জ ও হোসেনপুরের মানুষ পরিবর্তন চায়, তারা গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার ফিরে পেতে প্রস্তুত। আমি জনগণের অধিকার রক্ষার আন্দোলনে সারাজীবন ছিলাম, ভবিষ্যতেও থাকব ইনশাআল্লাহ।
তিনি আরও বলেন,
আমাদের লক্ষ্য শুধু নির্বাচনে অংশ নেওয়া নয়, বরং দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও মানুষের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠা করা।
মিছিল শেষে অনুষ্ঠিত সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তারা বলেন, মাজহারুল ইসলামের নেতৃত্বে কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপি নতুনভাবে ঐক্যবদ্ধ হচ্ছে। তার প্রার্থীতা ঘোষণার মাধ্যমে স্থানীয় রাজনীতিতে বিএনপি আবারও শক্ত অবস্থানে ফিরবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই শোডাউন কিশোরগঞ্জে বিএনপির রাজনীতিতে এক “নতুন গতি ও প্রাণচাঞ্চল্য” এনেছে।