1. admin@doinikbartamansongbadbd.com : admin :
স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কে আগে ঝগড়া শুরু করেন? যা বলছে গবেষণা - দৈনিক বর্তমান সংবাদ
বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০২:২৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বাঘায় রাজনীতি মানেই কেবল ক্ষমতা নয়, প্রমাণ করে চলেছেন যুবদল কর্মী মিজানুর রহমান সুমন এক হাতে লাঠি, অন্য হাতে ডালপালার ঝাড়ু—এক যুগের বেশি সময় ধরে কবরস্থানের নীরব সেবক অ্যাডভোকেট মওলা বক্স তারেক রহমানের ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির ধারাবাহিকতায় বিরামপুরে ছাত্রদলের বৃক্ষরোপণ ত্রিশাল থানার এসআই নাহিদের বিরুদ্ধে অপহরণ ও চাঁদা দাবির অভিযোগ, আদালতের নির্দেশে মামলা বিশ্ব শিক্ষক দিবসে বিরামপুরে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা পরিকল্পিত সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে ত্রিশালে শ্রমিক দলের বিক্ষোভ মিছিলও সমাবেশ সৌদি আরবের দাম্মাম থেকে ২০ দিন ধরে নিখোঁজ মোহাম্মদ রাহেল খালেদা জিয়া স্মৃতি গোল্ডকাপের উদ্বোধনে উঠল কাটলার খেলার মাঠের দাবি বিরামপুরে খালেদা জিয়া স্মৃতি গোল্ডকাপ উদ্বোধন, খালেদা জিয়ার চরিত্রে অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী মারজুক সিভিল সার্জন ডা. মোঃ গোলাম রসুল রাখির উদ্বোধনে নবাবগঞ্জে চালু সিজারিয়ান অপারেশন, প্রথম দুই প্রসূতির সফল অস্ত্রোপচার

স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কে আগে ঝগড়া শুরু করেন? যা বলছে গবেষণা

দৈনিক বর্তমান সংবাদ ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৫
  • ২৩৬ বার পঠিত

স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে হালকা তর্ক হোক বা বড় কোনো ঝগড়া— এমন ঘটনা প্রায় প্রতিটি সম্পর্কেই দেখা যায়। তবে সম্প্রতি এক গবেষণায় জানা গেছে, সাধারণত দাম্পত্য কলহের সূচনা নারীদের নয়, পুরুষদের দিক থেকেই বেশি ঘটে।

স্কটল্যান্ডের সেন্ট অ্যান্ড্রুজ বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক জানিয়েছেন, নারীদের তুলনায় অধিকাংশ ক্ষেত্রে পুরুষরাই প্রথমে আক্রমণাত্মক আচরণ শুরু করে। তবে নারীরা একেবারেই নির্দোষ নন, ঝগড়া একবার শুরু হয়ে গেলে তারাও সমান তেজে পাল্টা জবাব দেন।

গবেষকরা বলছেন, মানুষ কেন একেক পরিস্থিতিতে বেশি আগ্রাসী হয়ে ওঠে, আবার অন্য অবস্থায় একদম সংযত থাকে— এটা বোঝা জরুরি। তারা উল্লেখ করেন, ‘আমরা দেখেছি, বেশিভাগ ক্ষেত্রে ঝগড়ার শুরু পুরুষদের দিক থেকে হয়। কিন্তু সংঘাত শুরু হলে নারীরাও চুপ করে থাকেন না, তারা প্রতিক্রিয়া দেখান।’

এই গবেষণায় ১০৪ অংশগ্রহণকারীকে নিয়ে এক বিশেষ মনস্তাত্ত্বিক পরীক্ষা চালানো হয়। অংশগ্রহণকারীদের একসঙ্গে বসিয়ে সময়নির্ভর একটি টাস্ক সম্পন্ন করতে বলা হয়। প্রতিটি রাউন্ড শুরু হতো কালো পর্দায় ‘READY’, ‘SET’ এবং শেষে ‘GO’ লেখা প্রদর্শনের মাধ্যমে। ‘GO’ দেখানোর পর অংশগ্রহণকারীদের যত দ্রুত সম্ভব আর্কেড বোতাম চাপতে হতো।

প্রতিটি রাউন্ডে বিজয়ীকে সুযোগ দেওয়া হতো পরাজিতের দিকে জোরে চিৎকার করার, যার মাধ্যমে তাদের আগ্রাসী প্রবণতা মূল্যায়ন করা হয়।

৩০ রাউন্ডের পরীক্ষায় গবেষকরা পর্যবেক্ষণ করেন, পুরুষ অংশগ্রহণকারীরা নারীদের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি আক্রমণাত্মক ছিলেন। দুই নারী সদস্যবিশিষ্ট দলগুলোতে আগ্রাসনের মাত্রা সবচেয়ে কম ছিল, বরং তারা সংঘাতের তীব্রতা কমাতে সচেষ্ট ছিলেন।

তবে পরীক্ষার বিরতির সময় দেখা যায়, পুরুষদের আগ্রাসী মনোভাব দ্রুত কমে আসে, যেখানে নারীদের মধ্যে সেই পরিবর্তন তুলনামূলক ধীর। গবেষকদের মতে, এটি ইঙ্গিত দেয় যে, পুরুষরা উত্তেজনা প্রকাশে বেশি ত্বরিত হলেও, শান্ত হতেও ততটাই দ্রুত সক্ষম।

গবেষণার ফলাফল ‘Scientific Reports’ জার্নালে প্রকাশ হয়েছে। গবেষক দলটির অভিমত, দাম্পত্য জীবনে পারস্পরিক বোঝাপড়া ও আবেগ নিয়ন্ত্রণের শিক্ষা যত গভীর হবে, ততই সম্পর্কের সংঘাত কমে আসবে।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৫ দৈনিক বর্তমান সংবাদ