মো:কোরবান আলী রিপন:সিরাজগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি
দেশ গঠনে অংশ নিন ধানের শীষে ভোট দিন এই স্লোগানকে সামনে নিয়ে
উল্লাপাড়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সদস্য সচিব বর্তমান উল্লাপাড়া উপজেলা বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য জনাব আজাদ হোসেন নিয়মিত মাঠে কাজ করে যাচ্ছেন দলের জন্য।তারেক জিয়ার ৩১দফা কর্মসূচি মানুষের মাঝে পৌঁছে দিচ্ছেন। এলাকায় তার পরিচিতি এখন শুধু রাজনীতিবিদ হিসেবে নয়,বরং মানুষের আপনজন হিসেবে।তরুণ প্রজন্মের কাছে তিনি অনুপ্রেরণার প্রতীক।
স্থানীয়দের ভাষায়, আজাদ হোসেন শুধু নেতা নন,তিনি আমাদের পরিবারের মানুষ।দুঃসময়ে,বিপদে-আপদে তিনিই সবার আগে ছুটে আসেন।উল্লাপাড়া উপজেলার প্রতিটি গ্রামে তাঁর নাম এখন বিএনপির আশা হিসেবে উচ্চারিত হচ্ছে।মোঃআজাদ হোসেন উপজেলা ছাত্রদল ও যুবদলের সভাপতির দায়িত্ব পালন করে বর্তমানে বিএনপির নেতৃত্ব দিয়ে আসছে। স্বৈরশাসন আমলে তিনি অনেক হামলা মামলার শিকার হয়েছেন তবুও তিনি জাতীয়তাবাদ এর আদর্শ থেকে সরে দাঁড়ানি৷ তিনি একজন ক্লিন ইমেজের মানুষ।তাঁর ভিশন ও পরিকল্পনাও স্থানীয় উন্নয়নের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।নিজের রাজনৈতিক দর্শন সম্পর্কে জনাব আজাদ হোসেন বলেন, “রাজনীতি আমার কাছে পদ নয়,এটি জনগণের সেবা করার অঙ্গীকার।আমি দলের জন্য যে ত্যাগ স্বীকার করেছি,সেই মূল্য জনগণ নিশ্চয়ই দেবে।আমি চাই,উল্লাপাড়া উপজেলার মানুষ উন্নত শিক্ষা,স্বাস্থ্য ও কর্মসংস্থানের অধিকার পাক এই লক্ষ্যেই আমি রাজনীতি করি।আজাদ হোসেন উল্লাপাড়া উপজেলার মানুষের আস্থা,ভালোবাসা ও প্রত্যাশার প্রতীক হয়ে উঠেছেন।এলাকাবাসীর একটাই চাওয়া এই আসনে বিএনপির প্রার্থী হোক জনাব আজাদ হোসেন।তিনি সবাইর আছে দোয়া চেয়েছেন।
বিগত আওয়ামী লীগের শাসন আমলে এই বলিষ্ঠ নেতা ২৫ বার কারাবরণ করেছে তার নামে ৬০ এর অধিক মামলা ছিলো।তার পুরো পরিবার হাসিনার শাসন আমলে নির্যাতনের শিকার হয়েছে। আজাদ হোসেনের বাবা মরহুম সরাফত আলী (আলী মেম্বার) উল্লাপাড়া উপজেলা বিএনপির প্রতিষ্ঠিতা সভাপতি ছিলেন।
হাসিনা সরকারের আমলে বিএনপির কেন্দ্রীয় ঘোষিত সকল প্রোগ্রাম আজাদ হোসেনের নেতৃত্বে উল্লাপাড়া উপজেলায় পালিত হয়েছে।