ক্লিন ইমেজ প্রার্থীদের নমিনেশন দিলে আমি এগিয়ে থাকবো! টাঙ্গাইল ৭ মির্জাপুর আসনে জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী,বাংলাদেশের জাতীয়বাদী কৃষক দলের কেন্দ্রীয় সংসদের সাংগঠনিক সম্পাদক দিপু হায়দার খান। স্থানীয় সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে এ কথা বলেন তিনি।
রবিবার সন্ধ্যায় ৭টায় জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা মির্জাপুর ইউনিটের সাংবাদিকদের কার্যালয়ে মতবিনিময় কালে আরও বলেন, আমি জাতীয়তাবাদী দলের একজন মনোনয়ন প্রত্যাশী। আমি ছাড়াও এই আসনে একাধিক যোগ্য এবং দলের ত্যাগী প্রার্থী মনোনয়ন চাচ্ছেন।
আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ‘ক্লিন ইমেজ’ধারী প্রার্থীদের প্রাধান্য দেবে বিএনপি। অপকর্মে জড়িত বা বিতর্কিত কাউকে মনোনয়ন দেবে না দলটি। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এটা নিয়ে আসনভিত্তিক কাজ শুরু করেছেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আন্দোলন-সংগ্রামে সম্পৃক্ত ত্যাগী ও ক্লিন ইমেজধারীদের দিয়ে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকার খসড়া তৈরি করা হবে। তারেক রহমান চাচ্ছেন দুর্নীতিমুক্ত, ক্লিন ইমেজের নেতৃত্ব। চাঁদাবাজ, দখলবাজ, তিনি নেতৃত্ব দেবেন না। সামাজিক উন্নয়নের পাশাপাশি শিক্ষা, সংস্কৃতি ও আধুনিকায়নের যে চ্যালেঞ্জ সেই জায়গায় কাজের সুযোগ বেশি দেখছি।
প্রস্তুতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দলীয় কর্মসূচির পাশাপাশি নিয়মিতই এলাকায় সময় দিচ্ছি। দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে মিশছি। বিএনপি'র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ৩১ দফা মির্জাপুরের প্রতিটা ঘরে ঘরে পৌঁছে দিয়েছি। বয়স্ক মানুষ, মহিলা ও ইয়াং জেনারেশন সবার রেসপন্স পাচ্ছি।
আপনারা জানেন, আমি ১৯৯০ সাল থেকে মির্জাপুরে মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে ছিলাম। ভবিষ্যতেও থাকব। সবদিক বিবেচনা করে ইনশাআল্লাহ দল আমাকে মনোনয়ন দেবে। আমি আইনাঙ্গনে দলের জন্য সর্বোচ্চ দিতে পারব। আমি কামিয়াব হলে মির্জাপুর অভ্যন্তরীণ রাস্তাঘাটের উন্নয়নে অগ্রাধিকার দেবো। হিংসা, বিদ্বেষ এবং হানাহানিমুক্ত উপজেলা গড়ে তুলবো। একাত্মতা ও ভ্রাতৃত্ববোধের এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করবো। আমি মির্জাপুরবাসীর কাছে দোয়া ও সার্বিক সহযোগিতা চাই।
দিপু হায়দার খান, মির্জাপুর এলাকায় বহু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, এতিমখানা প্রতিষ্ঠা, অসহায়-দুঃস্থ গরিব মানুষের মাঝে দীর্ঘদিন ধরে গরু-ছাগল, শীতবস্ত্র, মসজিদ-মাদ্রাসায় অনুদান দিয়ে আসছেন।