
মো:আবদুল লতিফ,ষ্টাফ রিপোর্টার, লক্ষ্মীপুর
লক্ষ্মীপুরে জেলা জামায়াতের এক নেতার নিখোঁজ ভগ্নীপতির হাত-পা বাঁধা লাশ পাওয়া গেছে পার্শ্ববর্তি খালে।লাশটি খালে পড়ে থাকতে দেখে ভিড় করেন স্থানীয়রা। পরে লক্ষ্মীপুর সদর থানায় খবর দিলে পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে।এর আগে গত বৃহস্পতিবার (০২ অক্টোবর) রাতে তিনি নিখোঁজ হন।পেশায় তিনি একজন রাজমিস্ত্রি।তার নাম মো: ইউছুপ।
শুক্রবার (৩ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১১টার দিকে সদর উপজেলার পালেরহাট সড়কের কোরালিয়া খাল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত ইউছুফ সদর উপজেলার দক্ষিণ হামছাদী ইউনিয়নের পশ্চিম গৌপীনাথপুর গ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে এবং সদর উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা হুমায়ুন কবিরের ভগ্নিপতি। তিনি পেশায় একজন রাজমিস্ত্রি।
বৃহস্পতিবার (২ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৯টার পর থেকে নিখোঁজ ছিলেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার রাত ৯টার দিকে স্থানীয় এক যুবক খালে মাছ ধরতে গিয়ে মরদেহটি ভাসমান অবস্থায় দেখতে পান। পরে স্থানীয়রা তার পরিবারের সদস্যদের খবর দেন।
নিহত ইউছুফের ছেলে মো. শাকিল জানান, তার বাবার সঙ্গে বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে বাড়ির সামনে শেষ কথা হয়। এরপর থেকে অনেক খোঁজাখুঁজি করলেও তার সন্ধান মেলেনি। শুক্রবার রাতে কোরালিয়া খালে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় মরদেহ দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়।
তিনি অভিযোগ করেন, এটি পরিকল্পিত হত্যা। চাচা হানিফ ও জুয়েলদের সঙ্গে পারিবারিক জমি নিয়ে বিরোধ রয়েছে। এ ছাড়া আর কারও সঙ্গে বাবার কোনো বিরোধ নেই। ওই বিরোধকে কেন্দ্র করে পরিকল্পিতভাবে চাচারা বাবাকে হত্যা করে মরদেহ খালে ফেলে দেয়।একই দাবি করেন লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলা জামায়াতের আমির, খিলবাইসা মাদ্রাসার শিক্ষক ও নিহতের স্ত্রীর বড় ভাই মাওলানা হুমায়ুন কবির।
তিনি বলেন, ‘নিহত ইউসুফের ভাইদের সঙ্গে জমি নিয়ে বিরোধ মীমাংসার জন্য আমি ও স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান নানাভাবে বিরোধ নিষ্পত্তির চেষ্টা চালিয়েও সফল হইনি।
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আবদুল মোন্নাফ বলেন, ‘মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে এটি হত্যাকাণ্ড বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।