
বাণী........
হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা ও বিজয়া দশমী উপলক্ষে হিন্দু ধর্মাবলম্বী সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই। তাদের সুখ, শান্তি ও কল্যাণ কামনা করছি।
যুগ যুগ ধরে শারদীয় দুর্গাপূজা বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সাড়ম্বরে পালিত হয়ে আসছে। শরতের কাশফুল আর শীতের আগমনী বার্তা যেন এই উৎসবের আবহকে আরও মনোরম করে তোলে। বাংলাদেশেও দুর্গাপূজা সবসময় উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে উদযাপিত হয়।
উৎসব যে ধর্মেরই হোক, তার আনন্দক্ষেত্র সব মানুষের জন্য উন্মুক্ত। প্রতিটি ধর্মীয় উৎসব মানুষে মানুষে নিবিড় বন্ধন গড়ে তোলে, সহমর্মিতা ও ভ্রাতৃত্ববোধ জাগ্রত করে। সকল ধর্মের মূল বাণীই শান্তি ও মানবকল্যাণ। তাই সহিংসতা ও রক্তপাত পরিহার করে সমাজে শান্তি ও সাম্য প্রতিষ্ঠা করা আমাদের সকলের দায়িত্ব।
দুর্গাপূজার অন্তর্নিহিত শিক্ষা হলো—হিংসা, লোভ ও ক্রোধরূপী অসুরকে বিনাশ করে মানবিক মর্যাদা, ন্যায়বিচার ও স্বর্গীয় শান্তি প্রতিষ্ঠা করা। যারা নির্যাতন, নিপীড়ন ও প্রতিহিংসার মাধ্যমে সমাজকে ধ্বংস করতে চায়, তাদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ সংগ্রামের মাধ্যমে মানবকল্যাণ প্রতিষ্ঠাই এই উপাসনার বার্তা। সেই বাণীকে হৃদয়ে ধারণ করে আমরা সবাই মিলে দুর্গোৎসবের আনন্দ ভাগ করে নিতে চাই। উৎসবের পরিসর সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি সার্বজনীন ও মুক্ত।
বাংলাদেশ ধর্মীয় সম্প্রীতির দেশ। যেকোনো অশুভ তৎপরতা সম্পর্কে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল—বিএনপি এ দেশের প্রতিটি মানুষের ধর্মীয় স্বাধীনতা ও মূল্যবোধ রক্ষায় অঙ্গীকারাবদ্ধ। এদেশে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে আমরা সবাই বাংলাদেশি—এটাই হোক আমাদের বড় পরিচয়।
আমি এবারের শারদীয় দুর্গোৎসবের সর্বাঙ্গীন সাফল্য কামনা করছি।
বাণী
জামিউল রহমান অপূর্ব
আহ্বায়ক-সদস্য
খালিশপুর থানা ছাত্রদল, খুলনা মহানগর শাখা