1. admin@doinikbartamansongbadbd.com : admin :
বিরামপুরে ভুয়া এনজিওর নামে সামাজিক বনায়নের টাকা আত্মসাৎ, উপকারভোগীদের অভিযোগ - দৈনিক বর্তমান সংবাদ
শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০১:০৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বাঘায় রাজনীতি মানেই কেবল ক্ষমতা নয়, প্রমাণ করে চলেছেন যুবদল কর্মী মিজানুর রহমান সুমন এক হাতে লাঠি, অন্য হাতে ডালপালার ঝাড়ু—এক যুগের বেশি সময় ধরে কবরস্থানের নীরব সেবক অ্যাডভোকেট মওলা বক্স তারেক রহমানের ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির ধারাবাহিকতায় বিরামপুরে ছাত্রদলের বৃক্ষরোপণ ত্রিশাল থানার এসআই নাহিদের বিরুদ্ধে অপহরণ ও চাঁদা দাবির অভিযোগ, আদালতের নির্দেশে মামলা বিশ্ব শিক্ষক দিবসে বিরামপুরে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা পরিকল্পিত সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে ত্রিশালে শ্রমিক দলের বিক্ষোভ মিছিলও সমাবেশ সৌদি আরবের দাম্মাম থেকে ২০ দিন ধরে নিখোঁজ মোহাম্মদ রাহেল খালেদা জিয়া স্মৃতি গোল্ডকাপের উদ্বোধনে উঠল কাটলার খেলার মাঠের দাবি বিরামপুরে খালেদা জিয়া স্মৃতি গোল্ডকাপ উদ্বোধন, খালেদা জিয়ার চরিত্রে অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী মারজুক সিভিল সার্জন ডা. মোঃ গোলাম রসুল রাখির উদ্বোধনে নবাবগঞ্জে চালু সিজারিয়ান অপারেশন, প্রথম দুই প্রসূতির সফল অস্ত্রোপচার

বিরামপুরে ভুয়া এনজিওর নামে সামাজিক বনায়নের টাকা আত্মসাৎ, উপকারভোগীদের অভিযোগ

মোঃ ইব্রাহীম মিঞা, বিরামপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ২০৯ বার পঠিত

 

মোঃ ইব্রাহীম মিঞা, বিরামপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:
দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলার চরকাই রেঞ্জে সামাজিক বনায়ন প্রকল্পের উপকারভোগীদের টাকা থেকে ৮ লক্ষাধিক টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগীরা জানিয়েছেন, কথিত এনজিও কর্মী এনামুল হক, অবসরপ্রাপ্ত মালী আয়েন উদ্দিন ও বর্তমান সদর বিট কর্মকর্তা মো. সুলতান হোসেনের যোগসাজশে এ দুর্নীতি সংঘটিত হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বড়বাইলশিরা গ্রামের মৃত আব্বাস আলীর ছেলে এনামুল হক নিজেকে বন্ধ হয়ে যাওয়া এনজিও পল্লীবন্ধু পরিষদ এর নির্বাহী পরিচালক পরিচয় দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন দপ্তর থেকে বিশেষ সুবিধা আদায় করছেন। বিশেষ করে বন বিভাগের সামাজিক বনায়ন প্রকল্প থেকে তিনি লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, চরকাই রেঞ্জের বিভিন্ন সড়কে সৃজিত বাগানে নাম অন্তর্ভুক্তির কথা বলে এনামুল হক ও আয়েন উদ্দিন শত শত সাধারণ মানুষের কাছ থেকে ২–৩ হাজার টাকা করে নিয়েছেন। এমনকি প্রায় দুই বছর আগে রাস্তার ধারে সৃজিত বাগানের গাছ বিক্রির অর্থ বিতরণের সময় উপকারভোগীদের চেক বইয়ে অগ্রিম ব্লাইন্ড স্বাক্ষর নেওয়া হয়। প্রতিজন মেইন ডিড ওয়ালাদের নিকট থেকে ৪০ হাজার টাকা দেওয়ার কথা থাকলেও ১৫ হাজার টাকা কেটে মাত্র ২৫ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে। ১৫ জন মেইন ডিড ওয়ালাদের কাছে থেকে ৫৮ হাজার টাকার মধ্যে ২৮ হাজার টাকা কেটে নিয়ে ৩০ হাজার টাকা দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

ভুক্তভোগীরা জানান, যারা টাকা দিতে রাজি হননি, প্রায় ৪০ জন উপকারভোগীর নাম তালিকায় অন্তর্ভুক্তই করা হয়নি। ফলে ৭৯ জন উপকারভোগীর কাছ থেকে মোটামুটি ৮ লক্ষাধিক টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে তাদের দাবি।

বড়বাইলশিরা গ্রামের সাইদুল মাস্টার বলেন, “অগ্রিম টাকা না দেওয়ায় আমাদের অনেকের নামই বাদ দেওয়া হয়েছে।”

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিট কর্মকর্তা সুলতান হোসেন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “আমি কাউকে টাকা দিতে বলিনি, সাবডিড বলে কিছু নেই।” তবে স্থানীয়রা দাবি করেছেন, বন বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ও দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) তদন্ত করলে এ বিষয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে আসবে।

ভুক্তভোগী ও এলাকাবাসী সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৫ দৈনিক বর্তমান সংবাদ